প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অপরাজিত - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৩১৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


Örfurs ES বিচারক মাত্র, চব্বিশ বৎসরে মনটা কেমন বদলাইয়া গিয়াছে, বাড়িয়ছে- তাহারই একটা মাপকাটি আজ খাজিয়া পাইয়া দেখিয়া অবাক হইয়া গেল। চড়কতলায় পরানো আমলের কত পরিচিত বন্ধ নাই, নিবারণ গোয়ালা লাঠি খেলিত, ক্ষেত্র কােপালী বহরোপীর সাজ দিত, হারাণ মাল বাঁশের বাঁশি বাজাইয়া বিক্রয় করিত, ইহারা কেহ আর নাই, কেবল পর্যাতনের সঙ্গে একটা যোগ এখনও আছে । চিনিবাস বৈরাগী এখনও তেলেভাজা খাবারের দোকান করে । আজি চব্বিশ বছর আগে এই চড়কের মেলার পরদিনই তারা গ্রাম ছাড়িয়া চলিয়া গিয়াছিল--তারপর কত ঘটনা, কত দঃখ বিপদ, কত নািতন বন্ধ বান্ধব সব, গোটা জীবনটাই-কিন্তু কেমন করিয়া এত পরিবর্তনের মধ্য দিয়াও সেই দিনটির অনভূতিগলির সন্মতি এত সজীব, টাটকা, তাজা অবস্থায় আজ আবার ফিরিয়া আসিল ! সন্ধ্যা হইয়া গিয়াছে। চড়কের মেলা দেখিয়া হাসিমখে ছেলেমেয়েরা ফিরিয়া যাইতেছে, কারও হাতে বাঁশের বাঁশি, কারও হাতে মাটির রং করা ছোবা পালকি । একদল গেল। গাঙ্গালী পাড়ার দিকে, একদল সোনাড়াঙ্গা মাঠের মাটির পথ বাহিয়া, ছাতিমন্বনের তলায় ধলজড়ি মাধধ্য পরের খেয়াঘাটে-চব্বিশ বছর আগে যাহারা ছিল ছোট, এই রকম মেলা দেখিয়া ভোপ বাজাইতে বাজাইতে ভেলে ভাজা, জিবেগঞ্জা হাতে ফিরিয়া গিয়েছিল, তাহারা অনেকদিন বড় হইয়া নিজ DD BBuuBBB SBDiD DBDSLYYJBBOB BB DBB BBBBYSBD DBBBBB ছেলেমেয়েদের দল ঠিক আবার তাহাই করিতেছে, মনে মনে আজিকার এই মিছাপাপ দায়িত্বহীন জীবনকোরকগলিকে সে আশীবাদ করিল। বৈশাখের প্রথমেই লীলা তার দেওরের সঙ্গে নিশ্চিন্দিপারে আসিল । দুই বোনে অনেকদিন পরে দেখা, দই জনে গলা জড়াইয়া কাঁদিতে বসিল । অপাকে BDDB DBDDBYuDBB BBB BBB DB DDS DDD DBBDD DD DD DBBD DDBB বাপের ভিটে আবার দেখলাম, কখনও আশা ছিল না যে আবার দেখব । খোকার জন্য কাশী হইতে একরাশ খেলনা ও খাবার আনিয়াছে, মহা খাশীর সাহিত পাড়ায় পাড়ায় ঘরিয়া সকলের সঙ্গে দেখােশানা করিল। অপর বৈকালে ছেলেকে লইয়া নৌকায় খাবরাপোতার ঘাট পর্যন্ত বেড়াইতে গেল। তেতুলতলার ঘাটের পাশে দক্ষিণদেশের ঝিনকতোলা বড় নৌকা বাঁধা ছিল, হাওয়ায় আলকাতরা ও গাবের রস মাখানো বড় ডিঙি গলার শৈশবের সেই অতি পরাতন বিস্মত গন্ধ ‘নদীর উত্তর পাড়ে ক্ৰমাগত নলবন, ওকড়া ও বন্যবড়োর গাছ, ঢাল ঘাসের জমি জলের কিনারা ছাইয়া আছে, মাঝে মাঝে ঝিঙে পটলের ক্ষেতে উত্তরে মজারেরা টোকা মাথায় নিড়ান দেয়, এক এক স্থানে নদীর জল ঘন কালো, নিথর, কলার পাটির মত সমতল-যেন মনে হয়, নদী এখানে গহন, গভীর, অতলািদপশ,-ফুলে ভরা উলখেড়ের মাঠ, আকন্দাবন, ডাঁসা খোঁজরের কাদি দলানো খেজর গাছ, উইঢিবি, বকের দল, উচ্চ শিমল ডালে চিলের বাসা-সবাইপরের মাঠের দিক হইতে বড় এক ঝাঁক শামকট পাখি মধ্য