প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অপরাজিত - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৩৩৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


W অপরাজিত পিতৃহৃদয়ের এসব কাহিনী সে বঝিয়াছে -কিন্তু তখন তোহটিয়া যাওয়া ছাড়া পন্থা ছিল না, এখন আর সেদিন নাই, মোটরবাসে এক ঘণ্টার মধ্যেই পশ্চিন্দপুর (যা একটু দেরি সে কেবল কােবতীর শেয়াঘাট। গ্রামে পৌঁছতে অপাের প্রায় বেলা তিনটা বাজিয়া গেল। সন্ধ্যার কিছ পাবে মাদর পাতিয়া রাণাদিদের রোয়াকে ছেলেকে লইয়া বসিল। লীলা আসিল, রাণ আসিল, ও-বাড়ির রাজলক্ষী আসিয়া বসিল । রাণীদের বাড়ির চারিধারে হেমন্ত অপরাহু ঘনাইয়াছো-নানা লতাপাতায় সংগ্ৰন্থ উঠতেছে" কি অদ্ভুত ধরণের সোনালী রোদ এই হেমন্ত বৈকালের । আকাশ ঘন নীল --তার তলে রাণাদিদের বাড়ির পিছনে বাঁশের ঝাড়ে সোনালী সড়কির মত বাঁশের সচালো ডগায় রাঙ্গা রোদ মাখানো, কোনটার উপর ফিঙে পাখি বসিয়া আছে-বাদাড়ের দল বাসায় ফিরিতেছে ‘পাঁচিলের পাশের বনে এক একটা एआभएफ्ला ?ाgछ gथाठा gथाढा दाlbा ख्याभएा । সন্ধ্যার শাঁখ বাজিল । জগতের কি অপােব রােপ ‘আবার অপর মনে হয়, এঁদের পেছনে কোথায় আর একটা অসাধারণ জগৎ আছে-ওই বাঁশবনের মাথার উপরকার সিদরে মেঘভরা আকাশ, বাঁশের সোনালী সড়কির আগায় বসা ফিঙে-পাখির দলনি-সেই অপব, অচিন্ত্য জগৎটার সীমানায় মনকে লইয়া গিয়া ফেলে। সন্ধ্যার শাঁখ কি তাদের পোড়ো-ভিটাতেও বাজিল ? --পাজার সময় বাবার খরচপত্র আসিত না, মা কত কািন্ট পাইত-দিদির চিকিৎসা হয় নাই।-সে সব কথা মনে আসিল কেন এখন ? অন্য সবাই উঠিয়া যায়। কাজল পড়বার বই বাহির করে । রাণ রান্নাঘরে রাঁধে, কুটনো কোটে। অপকে বলে- এইখানে আয় বসবি, পিাড়ি পেতে দি অপ বলে, তোমার কাছে বেশ থাকি রাণাদি ৷ গাঁয়ের ছেলেদের কথাবাতা ভাল লাগে না । ap রাণ বলে-দটি মাড়ি মেখে দি-খ্যা বসে বসে । দধটা জৰাল দিয়েই চা की मिर्गन्छ । v --রাণাদি সেই ছেলেবেলাকার ঘাঁটিটা তোমাদের-না ? রাণ বলে- আমার ঠাকুরমা জগন্নাথ থেকে এনেছিলেন তাঁর ছেলেবিয়সে । আচ্ছা অপ, দাগগার মািখ তোর মনে পড়ে ? অপ, হাসিয়া বলে-না। রাণাদি । একটু যেন আবছায়া-তাও সত্যি কিনা। বাবিনে । রাণ, দীঘর্ণবাস ফেলিয়া বলিল-আহা ! সব সর্বপ্ন হয়ে গেল। অপর ভাবে, আজ যদি সে মারা যায়, খোকাণ্ড বোধ হয় তাহার মােখ। এমনি ভুলিয়া যাইবে। রাণীর মেয়ে বলিল-ও মামা, আমাদের বাড়ির ওপর দিয়ে আজ এইলো।পেলেন। গিাইল । কাজল বলিল-হাঁ বাবা, আজ দােপারে। এই তেতুিল গাছের ওপর দিয়ে গেল ।