পাতা:অরক্ষণীয়া - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়.pdf/৪১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


মরক্ষণীয়া ‘ළඳා মনেক অপরাধ তোমার চরণে করে গেলাম বৌ, সে-সব আমােব iাপ করে । } “পোড়া কাঠ আর সমস্ত মাড়ি বিকশিত করিয়া হাসিল না, বরং টি করিয়া একফোটা চােখের জল মুছিয়া কহিল, পোড়া কপাল! অপরাধ ত সব আমাদেরই হল ঠাকুরঝি!-ওলো, ও গেনি, মামাtाभौ ওপর রাগ-ট্যাগ করিস নে যেন। আসচে বছর আম-কঁঠালের দিনে তোর নেমন্তান্ন রইল, জামাইকে সঙ্গে করে একবার আসিস মা । বলিয়া, হাতের পিঠ দিয়া আর দু' ফোটা চোখের জল মুছিয়া ফেলিল । 豆邵 ংবাদ দিবার প্রয়োজন ছিল না বলিয়া দুৰ্গা চিঠি না লিখিয়াই আসিয়াছিলেন। জ্ঞানদার চেহারা দেখিয়া জ্যাঠাইমা হাসিয়াই খুনওলো ও গেনি, গালদুটা তোর চড়িয়ে ভেঙ্গে দিলে কে লো ? ও মা, কি ঘেন্না। মাথায় টাক পড়ল কি করে লো ? ও ছোটবেী, শিগগির আয়, আয়—আমাদের জ্ঞানদাসুন্দরীকে একবার দেখে যা । গায়ের চামড়াও কি তোর মামা-মামীরা ছাকা দিয়ে পুড়িয়েচে না কি লো ? জ্ঞানদা নিরুত্তরে ঘাড় হেঁট করিয়া বসিয়া রহিল। ছোটখুড়ি আসিতেই তাড়াতাড়ি উঠিয়া প্ৰণাম করিয়া পায়ের ধূলা লইল । ছোটবৌ শিহরিয়া উঠিল-ইস, এ কি হয়ে গেছিস মা ! জ্যাঠাইমা নিতান্ত অত্যুক্তি করিলেন না, কহিলেন, বাশবনের 闊 । অন্ধকারে দেখলে আঁৎকে উঠতে হয়। বলিয়া খিলখিল করিয়া সিতে লাগিলেন । আজ কিন্তু ছোটবেী তাহাতে যোগ দিল না। সে আর যাই হােক, সন্তানের জননী তাঁ। মেয়েটর এই কঙ্কালসার পাণ্ডুর মুখের