পাতা:অশনি সংকেত - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৩৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


to অশনি-সংকেত JSiBD DBDS DDDS DD DDD BDBD BB BBD DS SOB OB BB D BDD Bu DBDDB হাব খেয়েচ । দািগ পণ্ডিতের কথাবাত শনে গঙ্গাচরণের মনে হােল সে খব ভয় পেয়েচে । এমন একটা অবস্থা আসবে সে কখনো কলপনাও করতে পারে নি । ওর ভয়ের ছোয়াচ এসে গঙ্গাচরণের মনেও পৌঁছায় । বাইরে ঘোড়ানিম গাছটার তলায় অন্ধকার রাত্রে বসবার জয়- হাব, একটা বাঁশের মাচা করেছিল। দই পণ্ডিতে সেই মাচার ওপর একটি মাদর বিছিয়ে দিব্যি ফুরফুরে ফাগানে হাওয়ায় বসে তামাক ধরিয়ে কথাবাত বলছিল । হাব, এসে বললে-বাবা, নিয়ে এসো ও'কে, খাওয়ার জায়গা হয়েচে মাগের ডাল, আলভাতে, পে'পের ভালনা ও বড়াভােজা। অনঙ্গ-বেী রাঁধতে পারে খােব ভাল। দােগা পন্ডিতের মনে হােল এমন সস্বাদ অন্নব্যঞ্জন অনেক দিন খায় নি। হাব বললে-মা জিজ্ঞেস করচে আপনাকে কি আর দরখানা বড়াভােজা দেবে ? গঙ্গাচরণও ওই সঙ্গে খেতে বসেচে । বললে-হ্যাঁ হ্যাঁ, নিয়ে আয় না । জিজ্ঞেস कलाकद्ध कि ? অনঙ্গ-বো আড়ালে থেকে হাবীর হাতে পাঠিয়ে দিলে একটা রেকাবিতে কিছু পে'পের छालना, क"थान्ता दछाउठाडा । গঙ্গাচরণ বললে-ওগো, তুমি ও'র সামনে বেরোও, উনি তোমার ধনপতি কাকার বয়েসী । আপনার বয়েস আমার চেয়ে বেশি হবে, কি বলেন ? দািগ পণ্ডিত বললে-অনেক বেশি। বোমাকে আসতে বলন না ? একটা কাঁচা ঝাল নিয়ে আসন । একটু পরে অনঙ্গ-বেী লক্ষজা-কুণ্ঠ-জড়িত সঠিাম সগৌর কাঁচের চুড়ি-পরা হাতে গোটা-দাই কাঁচা লঙ্কা এনে দােগা পণ্ডিতের পাতে ফেলে দিতেই দােগা পণ্ডিত ওর দিকে মািখ তুলে চেয়ে বললো-মা যে আমার লক্ষয়ী পিরাতিমে । আমার এক ভাইঝির বয়সী বটে। কোনো লক্ষ্মজা নেই আমার সামনে বোমা-একটু সরষের তেল আছে। দাও তো মা হাব বললে-মা বলচে, দধি নেই। একটুতে তুল। গড় তুমখে ভাত ক'টা খাবেন ? -হা হাঁ, খাব । দধ কোথায় পাবো ? বাড়ীতেই কি রোজ দধি খাই নাকি ? দােগা পণ্ডিত এই বয়সেও কিন্তু বেশ খেতে পারে । মোট আউশ চালের রাঙা রাঙা ভাত শােধ তে"তুল গড়ে মেখেই যা খেলে, গঙ্গাচরণের তা দ'বেলার আহার। অনঙ্গ-বে। কিন্তু খব খাশি হােল দােগা পণ্ডিতের খাওয়া দেখে । যে মানষে খেতে পারে, তাকে নাকি খাইয়ে সখ। নিজের জন্যে রাখা বড়ভাজাগলো। সে সব দিয়ে দিলে অতিথির পাতে। গঙ্গাচরণ মনে মনে ভাবলে পৌনে সাত টাকায় বেচারী নিশ্চয়ই আধ পেটা খেয়ে থাকেরাত দশটার বেশী নয়। একটু ঠান্ডা। রাতটা ! আবার এসে দুজনে বসলো নিমগাছের তলায় বাঁশের মাচায় । হাব, তামাক সের্জে এনে দিলে। দােগা পন্ডিত বললে—এখন কি করি আমায় একটা পরামশ দাও তো ভায়া। যে রকম শনিচি গঙ্গাচরণ চিন্তিত সরে বললে-তাই তো ! আমারও তো কেমন কেমন মনে হচ্চে। কেয়াসিন তেল বাজারে আর পাওয়া যাচ্ছে না, আবার কাল থেকে শানচি দেশলাইও নাকি নেই।