পাতা:অশনি সংকেত - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৪৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


SO अणनि-अर्कङ দীন শশব্যঙ্গে বললেন-ওকি, ও কি,-এই দ্যাখো মা-লক্ষীর কান্ড । --তাতে কি ? এই তো বললেন-আমাকে নাতনীর সমবয়সী । --না না, ওটা ভালো না। মা-লক্ষী তুমি কেন তামাক সাজবে ? ওটা আমি পছন্দ করি নৌ-দ্যাও হকো আমার হাতে। ফু* দিতি হবে না। • অনঙ্গ-বেী একটা মাদর ও বালিশ নিয়ে এসে পেতে দিয়ে বললে-গড়িয়ে নিন। একটু । বেলা পাঁচটার সময় পাঠশালার ছটি দিয়ে গঙ্গাচরণ বাড়ী ফিরে কে একজন অপরিচিত বন্ধকে দাওয়ায় শয়ে থাকতে দেখে কিছু বঝতে পারলে না। পরে স্ত্রীর কাছে সব শনে বললে-ও, কামদেবপােত্ত্বর সেই বড়ো ভট্টাচাৰ্য্য ! চিনেচি এবার। কিন্তু তুমি তা হােলে না। খেয়ে আছ ? অনঙ্গ বললে—আহা, আমি তো যা-তা খেয়েই এক বেলা কাটাতে পারি। কিন্তু বড়ো বামন, ওর না-খাওয়ার কন্টটা -সে তো বঝলাম। কিন্তু যা-তা খেয়ে যে কাটাবে-যা-তা ঘরে ছিলই বা কি ? --তোমার সে ভাবনা ভাবতে হবে না । স্ত্রীকে গঙ্গাচরণ খব ভালো করেই জানে। ওর সঙ্গে মিছে তাক করে কোনো লাভ নেই। মাখের ভাত অপরকে ধরে দিতে ও চিরকাল অভ্যস্ত । অথচ মািখ ফুটে বলবে না কখনো কি খেয়েচে না খেয়েচে । এমন স্ত্রী নিয়ে সংসার করা বড় মশকিলের কাপেড়। কত কন্টে গত হাটে চাল যোগাড় করেছিল সে-ই জানে। গঙ্গাচরণ দা হাত জড়ে নমস্কার করে বললে-নমস্কার। ভাল ? দীন হেসে বললে--মা-লক্ষয়ীর হাতে অন্ন খেয়ে আপাতোক খবই ভালো। বািড় জমিয়ে নিয়েচি ; মা সাক্ষাৎ লক্ষী ! গঙ্গাচরণ মনে মনে বললে-ওর মাথাটি খেলে কেউ লক্ষী, কেউ অষেপণা বলে । আমি এখন মাঝে পড়ে মারা যাই । মখে বললে-হে হে’, তা বৈশা-তা আর কি।-- --কোথা থেকে ফিরলেন ? -পাঠশালা থেকে । —আমি একটু বিপদে পড়ে পরামর্শ করতে এলাম পন্ডিত মশায়। -कि दल.म ? —বলবো কি, বলতি লাভজা হয়। চােল অভাবে সপােরী উপোস করতে হচ্চে । কম দািরখে পড়ে আপনার কাছে আসি নি । --কামদেবপরে মিলচে না ? —আমাদের ওদিকি কোনো গাঁয়ে না। আর যদিও থাকে তো দেড় টাকা করে কাঠা বলচে। এ কি হোল দেশে ? আমার বাড়ী চার-পাঁচজন পৰিষ্য। দেড় টাকা চালের কাঠা কিনে খাওয়াতে পারি। আমি ? -এদিকেও তো ওই রকম ভািট চাষ মশায়। আমাদের গাঁয়েও তাই {