পাতা:অষ্টাঙ্গ হৃদয় - বাগ্‌ভট.pdf/১১৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৬২ अर्भेक्रश्नम्न । ] נוס "לל বিধানে, মেদঃক্ষরজনিত রোগের কার্শ্য চিকিৎসা দ্বারা, অস্থিাক্ষরজনিত রোগের তিক্ত দ্রব্য সংযুক্ত দুগ্ধ, ঘূত ও বস্তি প্রয়োগ দ্বারা চিকিৎসা করিবে । ( এস্থলে কথা হইতেছে যে, যে দ্রব্য বাতজনক তাহ অস্থিক্ষয় জন্য বিকারের ‘বৰ্দ্ধক, অতএব অস্থিক্ষয় জন্য রোগে তিক্তত্রব্য সংযুক্ত, ক্ষীরাদির উপযোগ অনুচিত ; কারণ তিক্তরস বাতাবৰ্দ্ধক। সেইজন্য বলা হইতেছে যে, যে দ্রব্য দিগ্ধ শোষণ ও খরত্বোৎপাদক তাহা অস্থিরাবৰ্দ্ধক, কারণ অস্থি খরস্বভাব। এমন একটাজিনিস নাই যাহা স্নিগ্ধ ও শোষক, সেইজন্য তিক্তদ্রব্য যুক্ত ক্ষীর স্বত ও বন্তি প্রয়োগ করিতে বলা গেল ; ক্ষীর স্থত তিক্ত দ্রব্য সাধিত হইলে তাহা খর স্বভাব হইয়া থাকে। সুতরাং অস্থিরও বৰ্দ্ধক হয়। ) ( অধিক পাঠের অর্থ-মজ্জা ও শুক্ৰক্ষয় জনিত রোগে মধুর ও শীতল দ্রব্য ভোজন, বমনাদি পঞ্চকৰ্ম্মম্বারা শুদ্ধি, মৈথুন, বান্নাম ও অন্যান্য শুক্ৰশোধক বিষয় হিতকর। ) ৩১ ॥৩২ পুৱীষবৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসা অতিসারের চিকিৎসানুসারে করিতে হুইবে । মলক্ষয় জনিত রোগে মেষ ও ছাগের মধ্যভাগের মাংস, কুষ্মাষ (হিঙ্গু ঘূতাদি যুক্ত অৰ্দ্ধসিদ্ধ মাষকলাই প্রভৃতি দ্বারা কৃত খাদ্যবিশেষ, ঘুঘনী), যব, মাষকলাই, বরাবটী প্রভৃতি মলবৰ্দ্ধক দ্রব্য প্ৰয়োগ করিবে ৷৷ ৩৩ মুত্রবৃদ্ধিজনিত রোগে মেহের ন্যায় চিকিৎসা এবং মুত্ৰক্ষয়জনিত বাধিতে মুত্রীকৃষ্ট্রের ন্যায় চিকিৎসা করিবে । স্বেদক্ষয়জ রোগে ব্যায়াম, তৈলাভাঙ্গ, স্বেদ প্রয়োগ ও মদ্যপান হিতকর ॥ ৩৪ স্বস্থানস্থ ( পকাশয় ও আমাশয় মধ্যবৰ্ত্তী) জাঠিরাগ্নির যে সকল অংশ রসাদি ধাতুকে আশ্রয় করিয়া থাকে, তাহদের মান্দ্য হইলে ধাতুবৃদ্ধি এবং দীপ্তি হইলে ধাতুক্ষর হইয়া থাকে । (পাচক পিত্তকে জািঠরাগ্নি বলে। এই জািঠরাগ্নির যে অংশ রসাদি ধাতুতে থাকে তাহাকে ধাত্বগ্নি কহে । ) || ৩৫ পুৰ্ব্ব ধাতু বন্ধিত হইলে পর ধাতুকে বৰ্দ্ধিত করে অর্থাৎ রসধাতু বুদ্ধিত হইলে রক্তকে বন্ধিত করে, রক্ত প্রবৃদ্ধ হইলে মাংসকে ধৰ্দ্ধিত করে ইত্যাদি। আর পুৰ্ব্ব ধাতু ক্ষীণ হইলে পর ধাতুকে ক্ষীণ করিয়া থাকে। (অর্থাৎ রসক্ষয়ে রক্তক্ষয় ইত্যাদি ক্রম জানিবে। ) ॥ ৩৬ মিথ্যা-যোগ অযোগ ও অতিযোগ যুক্ত মধুরাদি রস দ্বারা বাতদি দোষ প্ৰকুপিত হইয়া রূসরক্তাদি ধাতুসমূহকে দূষিত করে। পরে ঐ দুষ্ট দোষ ও ধাতু উভয়ে পুৱীষ্যাদি মিলকে দূষিত করিয়া থাকে। শরীরের অধোভাগে মলমাৰ্গ দুইটী যথা গুহাদেশ ও লিঙ্গ বা যোনি ; মস্তকে । সাতটী যথা দুই চক্ষু, দুই কৰ্ণ, দুই নাসিকা ও একটী মুখবিবর ; এতদ্ভিন্ন শরীরের যাবতীয় লোমকূপ এই সমস্ত মলের মার্গ। যে যে মলের যে যে মার্গ, সেই মীর্লঙ্গনিত রোগ সেই সেই মার্গে প্ৰকাশ পাইয়া থাকে ৷৷ ৩৭ ৷৷ ওদোলক্ষণ। রস হইতে শুক্ৰ পৰ্যন্ত ধাতু সমূহের যে শ্রেষ্ঠ তেজঃপদার্থ, তাহাকে ওজঃ কহে। ওজঃপদার্থের প্রধান স্থান-হৃদয় হইলেও ইহা সমস্ত শরীরব্যাপী। ওজোবলেই দেহের স্থিতি অর্থাৎ ওজই জীবনের আশ্ৰয় । ইহা মিঞ্চ, সোমগুণবহুল, বিশুদ্ধ ( মিল রহিত) ও ঈষৎ রক্তাভ পীতবর্ণ। ওজঃপদার্থের" নাশ হইলে নিশ্চিত মৃত্যু হয়। আর ওজঃ বিদ্যমান থাকিলে মনুষ্য জীবিত থাকে। ওজঃ হইতে শরীরসংশ্ৰিত বিবিধ ভাব নিম্পন্ন হুই৷ QNK IN MOYO