পাতা:অষ্টাঙ্গ হৃদয় - বাগ্‌ভট.pdf/১৪৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


v୬ অষ্টােহ হৃদয় । । [ >>wet VN অন্য প্রকারে নেত্রন্থৌল্য পরিমাণ কথিত হইতেছে। পূর্ণ এক বৎসর বয়সে নেত্রমূলের স্থূলতা এক অঙ্গুল হইবে ; পরোবৃদ্ধি অনুসারে সিকি পরিমাণে বৰ্দ্ধিত করিয়া ক্রমশঃ তিন অঙ্গুল পৰ্যন্ত করিবে। অর্থাৎ একবর্ষ হইতে ছয় বৎসর। পৰ্যন্ত এক । অঙ্গুলি ছিদ্র, সপ্তক্ষ বর্ষ হইতে একাদশ বর্ষ, পৰ্যন্ত ১০ অঙ্গুলি, দ্বাদশ বর্ষ হইতে ষোড়শ বর্ষ পৰ্যন্ত ১॥• অঙ্গুলি, ষোড়শবর্ষে ১৭• অঙ্গুলি, সপ্তদশ বর্ষে ২ অঙ্গুলি, অষ্টাদশ বর্ষে ২০ অঙ্গুলি, উনবিংশ বর্ষে ২॥* অঙ্গুলি, বিংশ বর্ষে ২৭• অঙ্গুলি এবং এক বিংশ বর্ষ হইতে ৩ অঙ্গুল ছিদ্র হইবে। তিন অঙ্গুলির অধিক ছিদ্র হইবে না। ইহা উৎকর্ষ অনুসারে নির্দিষ্ট হইল। মধ্যমছিদ্রের বিষয় পূর্বে ( ১৩ শ্লোকে ) কথিত হইয়াছে। - একবৎসরের নুন বয়স্কের নেত্রমূল-ছিদ্র অৰ্দ্ধাঙ্গুল ॥করিতে হইবে। নেত্রের অগ্রভাগের ছিদ্র-মুদগ, মাষ, মটর, শ্বিন্ন মটর ও কুল পরিমিত হইবে। অর্থাৎ প্রথম হইতে ছয়বর্ষ পৰ্যন্ত মুদগবাহী, সপ্তমবর্ষ হইতে একাদশ বর্ষ পৰ্য্যন্ত মাষবাহী, দ্বাদশবর্ষ হইতে পঞ্চদশ বর্ষ পৰ্যন্ত কলায়বাহী, যোড়শবর্ষ হইতে বিংশ বর্ষ পৰ্যন্ত শ্বিল্পকলায়বাহী এবং একবিংশ বর্ষ হইতে কর্কম্বুবাহী ছিদ্র হইবে। এক বৎসরের কম বয়স্কের পক্ষে মুদগবাহী ছিদ্র হইবে না। ছিদ্র অনুসারে নেত্রের স্থূলতা স্বয়ং কল্পনা করিয়া লইতে হইবে ॥ ১৪ বস্তিনেত্র গুদনাড়ীর ভিতরে অধিক প্রবেশ করিতে না পারে, সেই জন্য নোত্রের প্রান্তভাণে। মূলচ্চিত্র প্রমাণ অনুসারে, ছত্রাকার একটী কণিকা নিবদ্ধ করিবে এবং আঘাত নিবারণার্থ নেত্ৰগ্ৰ বস্তিদ্বারা আচ্ছাদিত করিবে। বন্তিপুট বান্ধিবার জন্য নেত্রের মূলদেশে আতুরাঙ্গুল প্রমাণে ২ অঙ্গুলি অন্তর দুইটী কণিকা নিবিষ্ট করবে।” সেই কণিকাদ্বয়াস্তরে ছাগ মেষ মহিষ হরিণ প্রভৃতির দস্তি (মুত্রাশয়), স্বত্রদ্বারা উত্তমরূপে বান্ধিবো। লেন নেত্ৰে ঔষধ ঢালিলে তাহ অনায়াসে বৃস্তির মধ্যে নিপতিত হয়, বাহির হইয়া না যায়। বন্তিচৰ্ম্ম স্নেহমন্দিত, হরীতক্যাদির কমায়দ্বারা রঞ্জিত, তন্তু এবং ছিদ্র গ্ৰন্থি দুৰ্গন্ধ ও শিরাবিহীন হইবে ॥ ১৫-১৭ ছাগাদির বস্তি না পাইলে তদভাবে অঙ্ক পাদ (ছাগহরিণাদির অবয়ব বিশেষ) অথবা ঘনবস্ত্ৰ নেত্ৰে যোজনা করিবে৷ ১৮ . . নিরূহ।মাত্রা। প্রথম বৎসরে নিরূহের মাত্রা ১ পল হইবে। (এই নিয়মে ছয় মাসের শিশুকে অৰ্দ্ধপলাদি মাত্রা দিতে হইবে। ) এক বৎসরের পর শের্তিবৎসর ১ পল করিয়া মাত্ৰা বৰ্দ্ধিত করবে। ইহাতে দ্বাদশ বৎসরে দ্বাদশ পল হইবে। ত্রয়োদশ বর্ষ হইতে সপ্তদশ বৎসৱ পৰ্যন্ত প্ৰতি বৎসর দুইপল করিয়া" মাত্রা বাড়াইবে । অষ্টাদশ বর্ষে নিরূহ মাত্রা ২৪ পল হইবে। এই ২৪ পল মাত্রা ৭০ বৎসর বয়স পৰ্যন্ত নির্দিষ্ট থাকিবো f ৭০ বৎসরের পর হইতে নিরূহ মাত্রী দশগ্ৰন্থন্ডের (৫২০ পলের ) অধিক হইবেন ৷ ১৯২০ অনুবাসন মাত্রা। যে যে, বয়সে নিরূহের যে যে মাত্রা নির্দিষ্ট হইয়াছে, সেই সেই বয়সে অনুবাসনের মাত্র ‘তাঁহার (নিরূহের ) চতুর্থাংশ হইবে। অর্থাৎ ষে বয়সের নিরূহের মাত্রা ১ পল, সেই বয়সে অনুবাসনের মাত্রা ১ কর্ষ হইবে ॥ ২১ আস্থাপনাৰ্ছ (নিরূহণ যোগ্য) ব্যক্তিকে প্রথমে স্নিগ্ধ শ্বিল্প ও বমন বিরেচন দ্বারা শুদ্ধ করবে। পরে রোগী লব্ধবল ও অনুবাসন যোগ্য হইলে তাঁহাকে প্রথমেই (আস্থাপনের