পাতা:অষ্টাঙ্গ হৃদয় - বাগ্‌ভট.pdf/৬৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


YèR * অষ্টাঙ্গাহৃদয় । is a ইহার মধ্যে শিশিরাদি তিনটি ঋতুকে অর্থাৎ শিশির বসন্ত ও গ্রীষ্ম ঋতুকে উত্তরায়ণ বলে। কারণ এই সময়ে সুৰ্য উত্তর পথে গমন করিয়া থাকেন। এই সময়ে সুৰ্য্যদেব প্ৰত্যহ মনুষ্যদিগের বল আদান (গ্রহণ) করেন বলিয়া উত্তরায়ণকে আদান কালও বলা যায় ॥৩ এই কালে মার্গ স্বভাব হেতু অত্যন্ত তীক্ষ উষ্ণ ও রুক্ষ গুণান্বিত সূৰ্য্য এবং বায়ু পৃথিবীর সোমগুণ সমূহ বিনাশ করিয়া থাকেন। সেই জ্যষ্ঠ (সূৰ্য্য ও বায়ু অত্যন্ত রূক্ষ হয় বলিয়া) এই সময় তিক্ত কষায় ও কাঁটুরস। যথাক্রমে বলবান হইয়া থাকে। অর্থাৎ শিশিরে তিক্ত, বসন্তে কষায় ও গ্ৰীষ্মে কটু রস প্রধান হইয়া থাকে। এই রূপে ভূমির সৌম্যগুণের হানি ও রুক্ষ রসের বৃদ্ধি হয় বলিয়া আদান কাল আগ্নেয়। বর্ষা প্ৰভৃতি তিনটী ঋতুকে দক্ষিণায়ন কহে। দক্ষিণায়নে সুৰ্য দক্ষিণ দিকে গমন করিয়া থাকেন। ইহাকে বিসর্গ কালও বলে। এই কঁাল প্রাণিদিগকে নিত্য বল প্ৰদান করিয়া থাকে। বিসর্গকালের সোমগুণবাহুল্য হেতু এই সময়ে চন্দ্ৰ বলবান ও সুৰ্য হীনবল হইয়া থাকেন। শীতল মেঘ বৃষ্টি ও বায়ু দ্বারা মহীতল শান্ততাপ হওয়ায় আম্ন লবণ ও মধুর রস যথাক্রমে বলবান ও স্নিগ্ধ হয়। ( বর্ষাকালে অক্ষা, শরৎকালে লবণ ও হেমন্ত কালে মধুর রস প্রবল হইয়া থাকে ) ৷ ৪-৬ প্রাণিদিগের বল হেমন্ত ও শিশির ঋতুতে অধিক, বর্ষা ও গ্রীষ্মে অল্প এবং শরৎ ও বসন্ত *ड्रंङ भक्षा श्न ॥ १ হেমন্ত শিশির চুৰ্য্যা। হেমন্ত ঋতুতে নিসর্গকাল হেতু বৰ্দ্ধিত বল পুরুষের লোমকূপাঁদ নৰ্থ সকল শীতদ্বারা সংস্কৃদ্ধি হওয়ায় জঠরাগ্নি বহির্গত হইতে না পারিয়া প্রবল হইয়া থাকে । সেই সমরে আহারাদির অল্পতা হইলে পাচকাগ্নি বায়ু-প্রেরিত হইয়া রসাদি ধাতুসমূহকে পাক করে, সেই জন্য হেমন্তে ধাতুপাক নিবারণার্থ মধুরান্নলবণ রস বহুল আহার করিবে ॥ ৮৯ এই পতুতে রাত্রির দীর্ঘতাবশতঃ প্ৰাতঃকালে ক্ষুপার উদ্রেক হয়। অতএব প্রতুসে অবশ্য কৰ্ত্তবা মলমূত্ৰাদি দিনচাৰ্য্যোক্ত ক্রিয়া সমূহ সম্পাদনা করিয়া যথোক্ত (তৈলাভাঙ্গাদি) বিধান সকল পালন করিবে ॥ ১০ o se এ সময়ে বাতন্ত্র তৈল (বলা তৈলাদি ) দ্বারা অভ্যঙ্গ বিশেষতঃ মস্তকে উত্তমরূপে তৈল মর্দন, অভাঙ্গের পর শরীর মর্দন (টোপান), বায়াম নিপুণ ব্যক্তির সহিত যুক্তিপূর্বক দাহুযুদ্ধ ও পাদযুদ্ধ ( পাদ দিমদন ) কৰ্ত্তবা। বাহুযুদ্ধ ও পাদাঘাত ( পা , কষাকষি করা ) তৈল্যাভ্যাঙ্গের পুর্বে করাই উচিত। ১১ ܢ ܬ t বায়ামের পর কিষায় দ্রব্য (লেখ্রিাদি ) মাখিয়া শরীরের স্নেহ তৈলাদি অপনয়ন করিবে:। তদনন্তর যথাবিধি স্নান করিবে । মানের পর শরীর, কুকুম কিন্তরী দ্বারা অনুলিপ্ত ও অগুরু ধূপে থুপিত করিলে ॥ ১২ হেমন্তকালে অতিশয় স্নিগ্ধ মাংস রস, মেদুর মাংস, গুড়জাত মন্ত, অচ্ছন্নুরা ( সুরামণ্ড) সুরা এবং গোধূম, পিষ্টক ( তফুলচুৰ্ণ , মাষকলাই, ইক্ষু ও দুগ্ধ হইতে উৎপন্ন নানাবিধ উপাদেয়।