পাতা:অহল্যাবাঈ - মণিলাল বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৪৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ङिौ उक्ष VSN) গোবিন্দ।-অ্যা-এ কি শুনছি ? নারায়ণী। কি বলছিস ?--সৰ্ব্বনাশী ! কি করেছিস ? কি করেছিস ? কালসৰ্পকে হৃদয়ে স্থান দিয়েছিস ? --রাক্ষসী-পিশাচী-কি করেছিস ? কি করেছিস ? নারা -বাবা । বাবা । গোবিন্দ।-চুপ কর রাক্ষসী-চুপ করা পিশাচী-চুপ করা সর্বনাশী,- আমাকে ওনামে ডাকিসনি,-আমি তোর পিতা নাই ; আমি তোর zuD S uYJS BBYSLLS S BBDYY DBBDBDJSLDDDBS EDDS আমার প্রভুর শত্ৰু, দেশের শান্তির শত্ৰু, তাকে-তাকে,-আমার কন্যা হয়ে তুই তাকে—সেই নরপিশাচ সোমনাথকে - উঃ বলতেও বুক কেঁপে উঠছে—বুকের রক্ত জমাট বেঁধে যাচ্ছে—প্ৰাণ ফেটে যাচ্ছে। —তাকে-তাকে-তুই-তুই-কালামুখী ! কালাসাপিনী ! বলএখনো বল-মিথা কথা ! নারায়ণী ।-বাবা ! আমি তোমাকে মিথ্যা বলিনি,-সত্য কথা বলিছি। এ আজকের কথা নয়-পাচ বছর আগেকার কথা ; আমরা তখন মথুরায় ; সোমনাথ আমাকে যাদু করেছিল-আমাকে মুগ্ধ করেছিল, নইলে কেন আমি সকলের অজ্ঞাতে তাকে আত্মসমৰ্পণ করবো ? গোবিন্দ -রুক্স। রুক্সা ! তুমি সর্বদাই বলতে-সংসারে আমাদের মতন সুখী কে ? তখন সুখেব সীমা খুজে পেতে না-এখন বুঝতে পারছি ; গুণবতী কন্যার কল্যাণে আমরা কি স্বৰ্গীয় সুখের অধিকারী হয়েছি? সংসারে তখন পোড়া চোখে দুখের অবধি দেখতে পাওনি ; আজ দেখো-রুক্সা, রুক্সা-বুকের আগুনে চোখ দুটো জালিয়ে দেখো —তোমার কুমারী কন্যা আমাদের সুখের সংসারের ওপর-আমার পুণ্য বংশের পবিত্ৰত ভেদ ক’রে আজ কলঙ্কের কি উজ্জ্বল ধ্বজ তুলে ধরেছে। দেখো-দেখো-প্ৰাণ খুলে দেখো-দুই হাতে বুক চেপে