পাতা:অহল্যাবাঈ - মণিলাল বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৪৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


So অহল্যাবাঈ দেখো ; তুমি দেখো, আমি দেখি ; দেশেব বাজা দেখুক, প্ৰজা দেখুক, শক্ৰ দেখুক, সকলে দেখুক-আমাদেব সংসাব কেমন চমৎকার! নাবায়ণী ।-বাবা! মোহেব ছলনায় বুদ্ধিব ভ্ৰমে আমি তোমার চরণে BBBDSDD BD BBDD DuD S S BDD BBBS DDD কবেছি ; ধৰ্ম্মেব বিধানে তিনি আমাব স্বামী, আমি তঁাব পত্নী । গোবিন্দ |-ধৰ্ম্ম ? এখানে ধৰ্ম্ম কোথায় ? পুত্রকন্যার বিবাহে শাস্ত্ৰমতে পিতা মাতাই যোগ্য অধিকাৰী । সর্বনাশী-বাক্ষসী ধৰ্ম্মেব দোহাই দিয়ে আমাকে মুগ্ধ কবতে চাস্য? মনে কবেছিস বুঝি-ধৰ্ম্মেব দোহাই দিলে আমি সব ভুলে যাবো।-মিথ্যা কথা; আমাব চক্ষে তুই-সেই পিশাচেব বিলাসেব দাসী । নারায়ণী ।-বাবা -বাবা ! ঈশ্বব্য সাক্ষ্য ক’বে বলছি, আমি কলঙ্কিনী নই ; তিনি আমাব স্বামী । আমি তাব স্ত্রী । বাবা, আমাদেব মার্জন করে এই আমার প্রার্থনা । কক্সা -ঘরের কলঙ্ক বাড়িয়ে আর কি ফল হবে প্ৰভু ? মেয়েকে মার্জনা করো, অদৃষ্টফালে শত্রু আজ জামাতাগোবিন্দ।"-জামাতা ? কে আমার জামাতা ? যে পিশাচ মহারাজ হোলকারের মহা শক্র, যার চক্রান্তে চতুর্দিকে আগুন জ্বলে উঠেছে, মহারাজার ভ্ৰাত যার জন্য নিহত, গুজরাট বিদ্রোহিদেব ক’বলগত, এখনো যে প্ৰাণপণে আমাদের সঙ্গে শত্রুতচরণ করছে,-সেই নরপিশাচ সোমনাথ আমার জামাতা ? নারায়ণী । আমি বুঝতে পেরেছি, সেট নরাধম। আমার অজ্ঞাতে প্ৰলোভনে তোকে মুগ্ধ করেছে। তার এ আচবণের প্রতিফল আমি তাকে স্বহস্তে প্ৰদান করবো। এখন তোর প্রতি আমাব এই আদেশ-সেই বৰ্ব্বরের স্মৃতি