পাতা:আজ কাল পরশুর গল্প.pdf/১৫১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


३ °ों म शू गां भ खु পাকা বাড়িটার সামনে দাড়িয়ে নিমের দাতন চিবোতে চিবোতে ভূধর সরকার গুণে নিচ্ছিল। মাচার লাউ । ছেলের চিঠি পেয়েছে। নাকি হে সামন্ত ?” রোজ সে এ প্রশ্ন করে । রোজ কৃপাময়ের পিত্তি জন্বলে যায় । “আজ্ঞে না । চিঠি পাইনি।” “এত বিলম্ব করে কেন চিঠি দিতে ? চিঠিপত্তর লিখতে তো দেয় জেল থেকে । না। স্বদেশী বলে কাড়াকড়ি বেশি ? “কি জানি।” ভূধরের বুক লোমবহুল, ভুরু ঘন লোমের মোটা আঁটি ,সহানুভূতির সকাতর ধীর উচ্চারণে সে বলে, “দ্যাকো দিকি ব্যাপার। বলি, তুই একছেলে বাপের, তোর কি স্বদেশী করা পোষায় ? কেন রে বাপু, বিয়ে থা করেছিস, ছেলে হয়েছে একটা, কঁচা বয়েস বৌটার-আঁ, कि दव्लव्न ? O কৃপাময় কিছু বলেনি, ভূধরের নিজের মন কথা কয়েছে কৃপাময়ের হয়ে । এসব কথায় কৃপাময় মুখ ফুটে সায় দেয় না, দুর্বোধ্য ভঙ্গিতে ধীরে ধীরে মাথাটা শুধু একটু নাড়ে। ভূধর বোধ করে অস্বস্তি আর অপমান। একটু ক্ষোভ জাগে, রাগ হয়। তার যে মনে পড়েছে তার ছেলে একটা নয়, যোয়ান মন্দ পােচ পাঁচটা ছেলে, এটা যেন কৃপাময়েরই ব্যঙ্গ করা তাকে । সে যাবে কৃপাময়ের একমাত্র ছেলের জেলে-যাওয়া নিয়ে আন্তরিক সহানুভূতি জানাতে আর তার মনে পড়বে তার পাঁচ ছেলের কথা ? এসব লোকের সঙ্গে কথা না বলাই ভাল। কতদিন সে ভেবেছে কৃপাময়ের সঙ্গে কথা বলার, গায়ে পড়ে যেচে কথা