পাতা:আজ কাল পরশুর গল্প.pdf/১৫৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


इः ° भ गृ जा भ ठू “চললে নাকি সামন্ত ? একটা লাউ ছেয়েছিল, নেবে তো নিয়েই य8 डाठ ।' “আজ্ঞে ঠিক চাইনি, তবে দ্যান যদি-” “দশজনকে দিয়েই তো খাব হে। নইলে এত লাউ দিয়ে করব केि ? ७D। नांe, दद्ध9 श्व, कeि डाछ।' প্ৰথম সোনালী রোদ এসে পড়েছে মাটির পথে, মাঝে মাঝে গাছের ছায়া। বর্ষায় পরিপুষ্ট সবুজ গ্রাম। শ্যাম মাইতি আর গোকুল দাসের পোড়া বাড়ির কালো কাঠ-বাঁশ-ছাই আজও স্তপ হয়ে পড়ে আছে, বর্ষাও ধুয়ে নিয়ে যায়নি, নতুন কুটিরও ওঠেনি। কোথায় চলে গেছে ওরা, ফিরে এসে নিশ্চয় আবার ঘর তুলবে। কৃপাময়ের বাড়ির কাছাকাছি সোনা জেলের বেী কাতু এইটুকু মোটা কাপড়ে তার যৌবন-উথলানো তাজা দেহটা কতটা ঢাকল কেয়ার না। করে মাথায় মাছের চুপড়ি বসিয়ে তার নিজস্ব কোমরদোলানো ছন্দে হন হন করে চলে, কৃপাময়কে পেরিয়ে গিয়ে থামে। ফিরে এসে আবার তার নাগাল ধরে । বলে, “খাসা লাউট বাঃ । কত নিলে গা ? ‘সরকারমশায় দিলেন, কাতু।” ‘ওমা, হঁা নাকি ? দুটি চিংড়ি দি তবে তোমাকে।” চুপড়ি নামিয়ে একটা কচু পাতা ছিড়ে কাতু এক খাবলী চিংড়ি তুলে দেয়। কৃপাময় বলে, "পয়সা নেই কাতু।” কাতু বলে, “পয়সা কিসের ? তুমি মোর বাপ। তোমার ছেলে ()