পাতা:আজ কাল পরশুর গল্প.pdf/১৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


डां उ कां का ° इ ७ ब्र १ों छ তার উঠে গিয়ে ঘাটতে থাকে বুকের ঘন লোম। জ্বালাও করে মনটা রামপদ’র স্পৰ্দ্ধায়। সে নাকি দাওয়ায় চালা তুলেছে, বেড়া দিয়েছে, গুছিয়ে নিচ্ছে সংসার। বলে নাকি বেড়াচ্ছে, গায়ে না টিকতে দিলে বৌকে নিয়ে চলে যাবে অন্য কোথাও ! আগের চেয়ে কত বেশী খাতির করছে ঘনশ্যামকে লোকে আজ, তুচ্ছ একটা রামপাদ’র কাছে সে হার মানবে ! মনটা জ্বালাও করে ঘনশ্যামের । পরদিন বসবে বিচার-সভা। সদরে জরুরী কাজ। সারাতে বেরোবার সময় ঘনশ্যাম ঠিক করে যায় সকাল সকাল রওনা দিয়ে বিকাল বিকাল গায়ে ফিরবে, গিরির কাছে আজ আর যাবে না। কাজ শেষ হয়। বেলা দু’টোর মধ্যেই, কিন্তু মনের মতো হয় না, যেমন সে ভেবেছিল সে-রকম। মনটা তার আরেকটু দমে যায়। সাধ হয় একটু বিলাতী খাবার। গিরির সাথে রাত কাটাবার। সময়ের হিসাবেও আটক পায় না । সভা হবে অপরাহুৈ, সকালে রওনা দিলেও গায়ে সে। পৌছবে ঠিক সময়ে। গোকুলকে সবচেয়ে কমদামী বিলাতী বোতল কিনতে দিয়ে সে যায় গিরির ওখানে। খোলা দরজায় দাড়িয়ে ঘনশ্যামের চোখ উঠে যায় কপালে, হাত বুকে উঠে লোম খোজে জামার কাপড়ের নীচে। মাদুর পেতে ভদ্রঘরের চারটি মেয়ে গিরিকে ঘিরে বসেছে, দু’জন তার চেনা। মুক্তাকে নিয়ে যারা রামপদ’র কাছে পৌছে দিয়েছিল। নিঃশব্দে সরে পড়বার চেষ্টা করারও সুযোগ মেলে না, “এই ! শোন, শোন।” বলে গিরি লাফিয়ে উঠে এসে চেপে ধরে গলাবন্ধ কোটের প্রান্ত । 9VOP