পাতা:আজ কাল পরশুর গল্প.pdf/১৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


আ জা কা লা পা র শু। র গ ব্ল ছুতোয় ঘর থেকে বেরিয়ে এদিক ওদিক চলাচল করে তাদের দিকে চেয়ে চেয়ে । অঙ্গন বাকবীকে পরিষ্কার, নালা ছিটাল থেকে উঠে আসছে অশ্লীল গন্ধ। এঠো বাসনগুলির অখাদ্যের গন্ধটাও কেমন বদ। সুরমারা চার জনে বেরিয়ে আসে। তাদের দিকে না তাকিয়েই সদর দরজার দিকে যেতে যেতে বলে যায়, সকালে আমরা আসব গিরিবালা, তৈরী থেকে ৷” সিকালে আসবে কেন ? “মােকে গাঁয়ে পৌঁছে দিতে, মার কাছে। ঘরে এস, বসবে।” গিরি তাকে টেনেই নিয়ে যায়। ঘরে। ঘনশ্যামের দিশেহারা অবস্থা, শত উপায় শত মতলবের এলোমেলো টুকরো পাক খেতে থাকে তার মাথার মধ্যে, কি করা যায় কি করা যায়। এই অন্ধ আতঙ্কের ፫jiCዏi | মাদুরে বসে বিড়ি ধরিয়ে কেসে বলে, “গায়ে গিয়ে কী করবি গিরি ? আমি বরং—” বরং টরং রাখি তোমার। মারা চিকিচ্ছে করাব । সব খরচা দেবে। তুমি, যত টাকা নাগে। নয়তো কি কেলেঙ্কারি করি দেখো ।” ঘনশ্যামের পকেট হাতড়ে সিগারেটের প্যাকেটটা বার করে গিরি ফস করে একটা সিগারেট ধরায়। ধপাস করে বসে পা ছাড়িয়ে পিছনে একটা হাত রেখে পিছু হেলে। কয়েক মাসেই মুখের স্নিগ্ধ লাবণ্য উপে গেছে অনেকখানি, মাজা রঙের সে আভাও নেই তেমন, কিন্তু গড়নশী হয়েছে আরও অপরূপ, মারাত্মক। সাধে কি ওকে পাবার জন্য অত করেছে ঘনশ্যাম, ছেড়ে দেবে দেবে করেও ছাড়তে পারছে S.