পাতা:আজ কাল পরশুর গল্প.pdf/৫৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


• भूभां লাগল। মুখে গোঁজা আঁচল খসে পড়লেও দাতে দাত চেপে গো-গো আওয়াজ করতে লাগল। তারপর হঠাৎ শিথিল নিস্পন্দ হয়ে গেল। সব শুনে কালাচাঁদের মন্দোদরী গোসা করে বলল, “কী দরকার ছিল বাবা অত হাঙ্গামায় ? আর কি মেয়ে নেই পিথিমীতে ? “কেমন একটা বোক চেপে গেল।” ‘কেঁাক চেপে গেল ! মাইরি ? ওই একটা বেঁাচানাকী কালো হাড়গিলেকে দেখে বেঁক চেপে গেল!” ‘দুত্তোরি, সে ঝোঁক নাকি ?” কিন্তু মন্দোদরীর সন্দেহ গেল না। পুরুষের পছন্দকে সে অনেককাল নমস্কার করেছে, আগামাথাহীন উদ্ভট সে জিনিষ । শৈলর জন্য কালাচাদের মাথা ব্যথা, আদর যত্ন ও বিশেষ ব্যবস্থার বাড়াবাড়িতে সন্দেহটা দিন দিন ঘন হয়ে আসতে লাগল। সাদা থান ও সেমিজ পরা ভদ্রঘরের দেবীর মতাে যে মন্দোদরী তার চােখে দেখা দিল কুটিল কালে চাউনি । শৈলকে দেখতে ডাক্তার আসে। তার জন্য হাল্কা দামী ও পুষ্টিকর পথ্য আসে। অন্য মেয়েগুলিকে তার কাছে ঘোষতে দেওয়া হয় না । কালাৰ্চাদ তার সঙ্গে অনেক সময় কাটায়। একদিন ব্যাপারটা অনেকখানি স্পষ্ট হয়ে গেল। শৈলর চেহারাটা তখন অনেকটা ফিরেছে। ‘ওকে বাড়ী নিয়ে যাব ভাবছিলাম।” কেন ? “মনটা খুতখুতে করছে। ধরতে গেলে ও আমার বিয়ে করা বোঁ । 8s