পাতা:আজ কাল পরশুর গল্প.pdf/৮৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


四t西夺t可叶可姆可引颈 লড়াই হ’য়ে গেছে দু’ভায়ের মধ্যে জমিজমা নিয়ে, যত হাতাহাতি গালাগালি হ’য়ে গেছে বাগানের ফল, পুকুরের ঘাট, গাছের মরা ডালের ভাগ নিয়ে তারও যেন প্ৰতীক হ’য়ে আছে। এই বেড়াটিই। জীৰ্ণ হ’য়ে এসেছে বেড়াটা, এখানে ওখানে মেরামত হ’য়েছে, আর এখানে পড়েছে মাটির চাবড়া, ওখানে গোঁজা হ’য়েছে ন্যাকড়া, সেখানে সঁাটা হ’য়েছে কাগজ । বেড়ার ফুটোয় চোখ রেখে উকি মারা চলত—দু’পাশ থেকেই। হঠাৎ গোবরগোলা জল বেড়া ডিঙিয়ে এসে পড়ত গায়ে । গোবৰ্দ্ধানের মেয়ে পরীবালা একদিন চোখ পেতে আছে বেড়ার ফুটোয়, জনাৰ্দনের মেয়ে তাকে তাকে থেকে একটা কঞ্চি সেই ফুটাে দিয়ে চালান ক’রে দিল তার চোখের মধ্যে । চোখ যায় যায় হল পরীবালার, মাথা ফাটে ফাটে হল গোবৰ্দ্ধন ও জনাৰ্দন দু’ভায়ের, ক’দিন পাড়ায় কাণ পাতা গেল না। দু’বাড়ীর মেয়েদের গলাবাজীতে। বেড়ায় কঁাথা-কাপড় শুকতে দিলে অদৃশ্য হ’য়ে যেত। এটাে-কঁাটা, নোংরা, ছেলেমেয়ের মল বেড়া ডিঙিয়ে পড়ত একপাশ থেকে অন্যপাশে । এ-পাশের পুই-বেড়া বেয়ে উঠে ওপাশের আয়ত্তে একটি ডগা একটু বাড়ালেই টেনে যতটা পারা যায় ছিড়ে নেওয়া হত। বেড়া ডিঙিয়ে অহরহ আসা যাওয়া করত সমালোচনা, মন্তব্য, গালাগালি, অভিশাপ। চেরা বঁশের বেড়াটাকে মাঝে রেখে এমন একটানা শক্রতা চলত দু’পাশের দু'টি পরিবারের মধ্যে যে সময় সময় মনে হত কবে বুঝি ওপাশের চালা পুড়িয়ে দেবার ঝোক সামলতে না পেরে এপাশে নিজের চালাতেই আগুন ধরিয়ে দেয় । br8