পাতা:আজ কাল পরশুর গল্প.pdf/৯১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


6द ऐछ| ‘দু’টি চাল দিবি বৌ ? দে মা, দু'টি চাল ? विठ्ठांन ছানা দেব তোকে একটা, তোর পায়ে ধরি খুদকুড়ে যাহোক দুটি দে।” ” “কোথা পাব গো ? চাল বাড়ন্ত । খুদকুড়ো শাউড়ী আগলে डांgछ ।” বলে বিড়ালের শোকে রাণীবালা কঁদতে থাকে, বাড়ীর সকলের কাছে নালিশ জানায়। সামলাতে না পেরে ডুকরে কেঁদে ওঠে, অভিশাপও দিয়ে বসে। ও-পাশের খুনেদের। ছেলেবেলা থেকে রাণীবালা বিড়াল পুষতে ভালবাসে, কত পোষা বিড়াল তার মরে আর হারিয়ে গেছে। ও-বাড়ীর লোক হত্যা না ক’রলে হয়তো বিড়ালটার জন্য এত শোক তার হত না । কিন্তু এমনি অবাক কাণ্ড, এই নিয়ে কুরুক্ষেত্র বাধানোর বদলে জনাৰ্দন তাকেই ধমক দিয়ে বলল, “আঃ চুপ কর বাছা । বাড়াবাড়ি কোরো না ।” চন্দ্ৰকান্তও প্ৰায় ধমকের সুরে বলল, “তোমার বিড়াল যায় কেন চুরি করে খেতে ? রাণীবালা হ'কচাকিয়ে যায়, ভেবে পায় না ব্যাপারখানা কি । রাগে অভিমানে তার গা জ্বালা করে, ভাবে না খেয়ে শুয়ে থাকবে কিন্তু ভরসা পায় না। কারো পেট কলমীশাক-সেদ্ধ দিয়ে দুটি ভাত খেয়ে ভরে না। কেউ যদি তাকে খাওয়ার জন্য সাধাসাধি না করে সে না খেয়ে গোসা ক’রে শুয়ে থাকলেও ! চন্দ্ৰকান্ত তাকে ব্যাপারটা বুঝিয়ে দেয়া-পুলপারের জমিটা না বেচে আর উপায় নেই। গোবৰ্দ্ধন ও জনাৰ্দন দু’জনে মিলে না বেচলে b”ፃ