পাতা:আজ কাল পরশুর গল্প.pdf/৯৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


SIKess P কাণকালি গায়ের খালে একবার একটা কুমীর এসেছিল। মানুষখেকো মস্ত কুমীর। পরপর তিনটি বৌকে টেনে নিয়ে গিয়েছিল গায়ের । একজন মাঝবয়সী, দুজন তরুণী । একজন রোগ ন্যাংলা, একজন বেশ মোটাসোটা, আরেকজন ছিপছিপে দোহারা গোছের লম্বাটে। মোটা বৌটি কুমীরের পেটে গিয়েছিল একাই। অন্য বৌ দু’টির একজনের গর্ভ ছিল সাত আট মাস, অন্যজনের কঁাখে ছিল ছোট একটি শিশু । তার পেটেও একটা কিছু ছিল ক’য়েক মাসের। তাকে যখন কুমীর ধরল, বাচ্চাটাকে বাঁচাবার জন্য তাকে সে যত জোরে যত দূরে পারে ছুড়ে দিয়েছিল। মায়ের প্রাণ তো ! কান্তি দাসের বিধবা বোন সনক বাচ্চাকে তুলে আনে। সেই শিশুর বয়স এখন পনের বছর। খুড়িয়ে খুড়িয়ে হঁটে ! টেরা বঁকা আধ শুকনো বা হাতটা একেবারেই অকেজে, আঙ্গুল গুলি শক্ত হয়ে গেছে, বঁাকে না । ডান হাতে বেশ জোর আছে, বিশেষ কৰ্ম্মতৎপর নয় বটে, কারণ কোন কাজেই পটুতা অর্জন করার ধৈৰ্য্য তার নেই, কিন্তু হাতটি যেন সব সময়েই কাজের জন্য অস্থির ও চঞ্চল হয়ে থাকে, অথবা আকাজের জন্য । তার বাবা গিরিশ আবার বিয়ে করেছিল এগার মাসের মধ্যেই, কিন্তু প্ৰথম পক্ষের একমাত্র খুতে ছেলেটাকে মানুষ করার চেষ্টার ত্রুটি সে করেনি "GOR