পাতা:আত্মকথা - সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১০০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


DDDDD DDuYS SDDB BBB SSSSSS SDB BD DB DDB BBDB BD BB DDBBBDSS Bu BB DDDLD DDDDD SEDD DDDB DBL DLDBDDBB BBBD অতি সহজ, অতি সাদা, অতি সরল, অলঙ্কারশূন্য, আস্ফালন বৰ্জিত ঘরের ভাষায় ব্যক্তি। ঐ রূপ। কবিতাই বঙ্গের জাতীয় ( National ) বা স্বদেশী কবিতা । এখনকার রচনা হইলে উহা অসীম, অনন্ত, উত্তাল, অভ্ৰভেদী, কুলপ্লাবী, উৰ্ম্মি, হিমাচল প্ৰভৃতি লোকসাধারণের-বিশেষতঃ বঙ্গমহিলার অচেনা শব্দের দাপটে একটা কিভূতকিমাকার জিনিস হইত। এইরূপ কবিতা পড়িতে পড়িতে অর্থাৎ কৃত্তিবাস, কাশীদাস, গঙ্গার বন্দনা প্ৰভৃতি পড়িতে পড়িতে মনে হয়, এ সকল আমাদের ঘরের BES BDBDB BB DBBB DDB DBDDD DBBDSS DBBDDS BDBDDLDDS BBDBDS নবীনচন্দ্ৰ প্ৰভৃতির কবিতা, নানা গুণ সত্ত্বেও, যেন আমাদের ঘরের লোকের দ্বারা লিখিত ঘরের কথা নয় । সুতরাং মাইকেলের, হেমচন্দ্রের, নবীনচন্দ্রের, রবীন্দ্রনাথের কবিতাতে বাঙ্গালী নরনারীর অন্তরের কথা নাই, যুগযুগান্তর হইতে সঞ্চিত আশা আকাজক্ষা দেখি না। তাই বলি, তাহদের কবিতা বাঙ্গালীর জাতীয় ( National ) কবিতাও নয়, স্বদেশী কবিতাও নয় ; সর্বাপেক্ষা ভয়ের কথা, বাঙ্গালী ভক্তের কবিতাও নয়। বঙ্গে এখন আর ভক্ত জন্মিতেছে না, রামপ্ৰসাদের পর ভক্ত হয় নাই বলিলেই হয়। একবার মাত্র দুই দিনের জন্য কেবল পরমহংসদেব দেখা দিয়াছিলেন । সুতরাং মৰ্ম্মস্পর্শী কবিতা বা গান আর রচিত হইতেছে না । " একটা গল্প মনে পড়িল । বঙ্কিম দাদা হুগলীর ডিপুটী। ঘোড়াঘাটের উপর তাহার বৈঠকখানা। একদিন সেইখানে বসিয়া বলিয়াছিলেন-মাইকেল পড়িলাম, ভাল লাগিল না । হেম পড়িলাম, DBD BDBB D S DBDBB DBBDDSgBD DDBD D DBB DBBDS DBBD গাহিতেছে,-“সাধ আছে মা মনে, দুৰ্গা বলে প্ৰাণ ত্যজিব জাহ্নবী জীবনে ৷” গান বড় ভাল লাগিল। তাই বলিতেছি, বাঙ্গালা সাহিত্যেব সংস্কার সাধন করিতে হইলে, উহাতে সঞ্জীবনী শক্তি সঞ্চারিত করিয়া দিতে হইলে, বাঙ্গালা গান বদলাইতে হইবে, নূতন করিয়া গান রচনা করিতে হইবে । নব্য বাঙ্গালায় এখনও জাতীয় এবং স্বদেশী কবিতা লিখিত হয় নাই। এখনও কেবল বিজাতীয় বিদেশী কাব্য ও কবিতা লিখিত হইতেছে। যখন দেখিব, বঙ্গের নূতন কাব্য বা কবিতায় সুপরিচিত ঘরের কথা দেখিয়া দোকানী পশারী পৰ্য্যন্ত গাছতলায় বসিয়া কাশীদাস, কৃত্তিবাস যেমন মুগ্ধ হইয়া পড়ে, তেমনি মুগ্ধ হইয়া পড়িতে আরম্ভ করিয়াছে, তখন বুঝিব, বঙ্গে বাঙ্গালীর জাতীয় ও স্বদেশী কাব্য বা কবিতা লিখিত হইতেছে। সাহিত্য যখন মুখের মন পৰ্য্যন্ত অধিকার করে, তখনই উহা শক্তিস্বরূপ হইয়া সমস্ত জাতির মনে শক্তি সঞ্চারিত করে, তাহার আগে করে না । আমাদের কাশীদাস ও কৃত্তিবাস বহুকাল শক্তিরূপ ধারণা করিয়াছেন । R \le