পাতা:আত্মকথা - সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২০১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


अieनि नेिकांक थांकि cक्यू वि5यू, निन नि नदी भूढेिं थांब्र१ रुब्रम्र ; সকলের হিত করে নিজ পরিচয়ে প্ৰয়োজন সিদ্ধ হয় অনেক বিষয়ে ; নবরত্ন-সভা মধ্যে বার মাস রয়, न। यूनििश्! नदद्मि शन्न *व्रज ।।' , কত রকম কদৰ্থ, সদর্থ, টানাবোন অর্থ, গোলমেলে অর্থ, এক এক রত্ন, এক এক সময়ে, প্ৰকাশ করিতে লাগিলেন। রাক্ষস শির-সঞ্চালন করিয়া হুঙ্কার দেন মাত্র । এক দিন গেল, দুই দিন যায়, ক্রমে সভা হেট-তুণ্ড হইতে লাগিলেন । সে স্ফৰ্ত্তি নাই, সে BDDY DSBB BBD DBDBDD SBBDBDDDB BDBDSDBDBD DD uBB BDBDtS DBBLLS DD KBB DLLYLS KKS uu DBBBDBS DDD D DBDBB BDBDD DTDL B SS S S MttLB GD রাক্ষসেরা মন, তাহাও টলিল। হৃদয় গলিল। নবরত্ন-সভাগৃহের প্রাচীর সংলগ্ন ধাতুময় ক্ষুদ্র যন্ত্রীর দিকে লক্ষ্য করিয়া এবং সকলের লক্ষ্য সেই দিকে আকর্ষণ করিয়া, রাক্ষস নবরত্ন-সভার সন্মান রক্ষা করিলেন । সভাস্থ সকলে আৱকিমিডিসের মত, Ureka, Ureka “প্ৰাপ্তোশ্মি প্ৰাপ্তোশ্মি” করিয়া উঠিলেন, আবাৱ আনন্দের স্রোত বহিয়া উঠিল । পূর্বে রামগতি ন্যায়রত্ন ও লোহারাম শিরোরাত্ব মহাশয়-দ্বয়ের নাম করিয়াছি। তাহাবা ছাড়া আর একজন সংস্কৃতজ্ঞ পণ্ডিত, তৎকালে বহরমপুরে ছিলেন। তিনি ত্ৰিবেণীর প্রসিদ্ধ জগন্নাথ তর্কপঞ্চাননের পৌত্রেব পৌত্র-উমাচরণ ভট্টাচাৰ্য্য। তিনি নৈয়ায়িক অথচ বিশেষ কাব্য রসজ্ঞ ছিলেন। তঁহার কাছে আমি কালিদাসের শকুন্তলা পড়িয়াছিলাম। সে গুরুদত্ত পুথিখানি এখনও আছে। যৌবনের প্রারম্ভে তিনি উত্তরপাড়ায় আবদার করিয়াছিলেন,-“বিচারের ফলে বিদ্যায়ের পরিমাণ স্থির করিতে হইবে।” সে কথা কেহ শুনিল না । সুতরাং তিনি ব্ৰাহ্মণ পণ্ডিতের ব্যবসা ছাড়িয়া দিলেন । সরকারী চাকরিতে প্ৰবৃত্ত হইলেন। অতএব এখন উমাচরণ ভট্টাচাৰ্য্য, বঙ্কিমবাবুর চন্দ্ৰশেখরের মত-ব্ৰাহ্মণ এবং পণ্ডিত, ব্ৰাহ্মণ-পণ্ডিত নহেন। তিনি তৎকালে বহরমপুরে সদরালার সেরেস্তাদার ছিলেন । সেরেস্তা ছাড়িয়া উঠিবার তাহার অবকাশ হইত না । রাক্ষসাধমকে নবরত্বের নিত্য-লীলার নিত্যবিবরণ ভট্টাচাৰ্য্য মহাশয়ের কাছে পেশ করিতে হইত। তিনিও এক-একদিন সভায় সমস্যা প্রেরণ করিতেন । দীনবন্ধু মিত্ৰ মহাশয়ও কাচিৎ সভায় সমস্যা দিতেন । তাহার একটি সমস্যা মনে পড়িতেছে। “একাকী দাড়ায়ে সতী, ভারতী-রূপিণী" शउ थहिक, उउ शांश, शाशिनी cलांडिी ।"