পাতা:আত্মকথা - সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৩২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


সময়ে বিচারপতির ভয়ঙ্কর তাড়না, সাক্ষীকে এরূপ সভায় ও ব্যতিব্যস্ত করে যে, সে একেবারে হতচেতন হইয়া পড়ে, তখন তাহার মুখে যাহা আইসে সে তাহাই বলিতে DLDBDSDB DBDBDS0 BDBBBD D BB DBBD BBDBSDSSYBD LBDBDDD DBDzY হয় । বিশেষত বিচারপতি কর্তৃকই হউক, কিম্বা উকীল কর্তৃকই হউক, সাক্ষীকে তাড়না করা কোন প্রকারেই বৈধ ও সাধু-সন্মত নহে। স্বীকার করি যে, এরূপ দূষণীয় কাৰ্য্যে কোন কোন উকীলের প্রবৃত্তি জন্মে না, কিন্তু তাহদের সংখ্যা অতি অল্প । আমরা যে কুপ্রথার বর্ণনা করিলাম, তাহা অধিকাংশ উকীলেরাই করিয়া থাকেন, সুতরাং ত্যাহা সাধারণ প্ৰথা হইয়া উঠিয়াছে এবং তাম্বারা কুফলও ফলিতেছে। এই প্ৰথা যাহাতে দূরীকৃত হয়, এবং সাক্ষীদিগের অবস্থানুসারে মৰ্য্যাদা রক্ষা পায়, ইহাই আমাদের ঐকান্তিক অনুরোধ । ঠিক এক বৎসর পরে অর্থাৎ ১২৮২ সালের ১০ই জ্যৈষ্ঠ “সীতা-বিলাপ * ( দণ্ডকারণ্যে ) সাধারণীতে প্ৰকাশিত হয় । সেটি পদ্য । তাহার তিনটি মাত্ৰ শ্লোক

  • উদ্ধৃত করিলাম । w
  • যে দিন বলিলে দিতে পরীক্ষা অনলে, করিলে ঘোষণা এই শুনিল সকলে,- যদি এই পরীক্ষায়, সীতা মম মুক্তি পায়

জানিব কলঙ্কহীনা জনক নন্দিনী । আজীবন সিংহাসনে করিব সঙ্গিনী ।” বিশ্বাস করিয়া সেই ঘোষিত বচনে, বিশ্বাস করিয়া আর মমি আচরণে, পশিলাম হুতাশনে, প্ৰফুল্প পবিত্ৰ মনে, বাহির হইনু পুনঃ দেখিল ত্ৰিলোকে বিমল সুবৰ্ণ যথা বিমল আলোকে ৷ কিন্তু অয়ি নাথ, একি সব্বনাশ । কোথা সিংহাসন, কোথা বনবাস ! উঠি অকস্মাৎ, ঘন ঘূৰ্ণবাত, জীবন কানন ছিন্ন ভিন্ন করি, নাশিল সমূলে আশার বল্পৱী।” ঢাকা ছাড়িবার কিছু পূৰ্ব্বে ১২৮৯ সালের ১৮ই বৈশাখ সাধারণীতে পিতৃক্ষত