পাতা:আত্মকথা - সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৪৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


জিরাইয়া, খুজিয়া পাতিয়া, বাড়ী দেখিতে হইতে ছিল। বামুনের গোফর মতন ভাল পঙ্গীতে ভাল বাড়ী হইবে, অথচ ভাড়াটা অগ্নিমূল্য না হয়। সেই সময়ে কলিকাতার কলুটােলায় বঙ্গসাহিত্যের সম্রাট-ৰূরে বঙ্কিমবাবু বিরাজমান। শশধর তর্কচূড়ামণি মুঙ্গের হইতে আসিয়া, পথিমধ্যে বৰ্তমান বিজয় করিয়া, কলিকাতায় শিবির স্থাপন কতিছেন। বঙ্কিমবাবুর বৈঠকখানায় প্রতি রবিবারে BDSBDYL DBDS SDBDD LOB DBDS DDBDES qLED BBBDDDL LBBB বাঙ্গালা সংবাদ পত্রের সরকারী অনুবাদক রাজকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়, খিদিরপুরের দুই মহাত্মা,-কবিবর হেমচন্দ্র এবং কোমৎ শিন্য যোগেন্দ্রনাথ ঘোষ,-বঙ্কিমবাবুর প্ৰতিবাসী প্ৰসিদ্ধ ব্ৰাহ্ম, কেশবপাবুর সহোদর কৃষ্ণবিহারী সেন, পরে কটক কলেজের প্রিন্সিপ্যাল নীলকণ্ঠ মজুমদার প্রভৃতি। মধ্যে মধ্যে আসেন বারাসতের ডেপুটি তারা প্ৰসাদ চট্টোপাধ্যায়। বৰ্তমানের ইন্দ্ৰনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, ঢাকার কালীপ্ৰসন্ন ঘোষ ও গোবিন্দচন্দ্ৰ দাস প্রভৃতি। বঙ্কিমবাবুত অবশ্যই থাকিতেন। কলিকাতায় বাসা করার পর প্রতি রবিবার অপরাহ্নে ত বটেই, অন্য অন্য সময়েও সেইখানে যাইতাম । চূড়ামণি মহাশয়ও এক এক দিন থাকিতেন। সাহিত্য সেবার সভায় ধৰ্ম্মের কাহিনী উঠিল। চূড়ামণি মহাশয় আলবার্ট হলে বক্তৃতা দিতে লাগিলেন। শাস্ত্রসঙ্গত ধৰ্ম্ম ব্যাখ্যার সঙ্গে, তিনি বিজ্ঞানের দোহাই, জাকাইয়া দিতৃে লাগিলেন । ধৰ্ম্ম বিজ্ঞানের উপর দাড়াইবে, কথাটা নিতান্তই উল্টা কথা বলিয়াই আমার বোধ হয় । সাধারণীতে এই মতের প্রতিবাদ করিলাম। ধৰ্ম্মই সকলের আশ্ৰয়, ধৰ্ম্মই সকলের অবলম্বন, ধর্ণ BDBDLt DDDBBB BDD DB DBDBD gB BDBDB BDD DDDBD DBBD DDDuD প্ৰকাশিত হইল । নবজীবনের সূচনাতেই লিখিলাম “যে বিশাল মহান স্তৱ সমাজ তত্ত্বাদির আশ্ৰয় স্বরূপ, অবলম্বন স্বরূপ হইয়া ঐ সকলকে গর্ভে ধারণ ক’ত, অনবরত উহাদের পুষ্টিসাধন, অবস্থা পরিবর্তন এবং ক্ষয় সাধন করিতেছে, তাহা উপেক্ষা করিয়া, —সেটি যে অবলম্বন এবং আশ্রয়, কিয়াৎ পরিমাণে উপাদান এবং হেতু-তাহা না বুঝিয়া, সেইটিই সকল তত্বের সারিতত্ত্ব সম্পূর্ণরূপে না হ’ডক, কিন্তু অংশত সকল তত্বের সমবায়ী, অসমবায়ী এবং নিমিত্ত কারণ, ইহা সম্যাকুরূপে হৃদয়ঙ্গম না করিয়া,-কোন তথ্যের কথা কহিতে যাওয়া বিড়ম্বন মাত্র । চিন্তাশীল বাঙ্গালী দেখিতে দেখিতে অন্তর স্তরের আভাস পাইয়াছেন। একটু একটু বুঝিতেছেন যে, সেই মূলীভূত সারস্তম্ভের কথা উপেক্ষা করিয়া সামবাদ বা বৈষম্যবাদ, বিতর্কবাদ না স্থিতিবাদ কিছুই বুঝিতে পারা যায় না। সেই বিশাল মহান আশ্রয়-স্তরের নাম-ধৰ্ম্ম ।” নব-জীবন প্ৰকাশিত হইয়া। বঙ্গের মহামহারাধীগণ প্ৰায় সকলেই লিখিতে লাগিলেন। আমি সম্পাদক, কাজেই আমার জাক পাসার খুবই হইল। পিতা।