পাতা:আত্মকথা - সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৫৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অন্ততর সভ্য রাধা জীবন রায় (হায় রাধাজীবনই বা কোথায় ?) নববিভাকর সাধারণীতে শোক-পন্থ প্ৰকাশিত করিলেন ; দুটি শ্লোক উদ্ধৃত করিতেছি । এক দিন পর বলি, ভাবি নাই মনে, জনকের মত তারে, কারিতাম জ্ঞানপুত্ৰসম ভাবিতেন, তিনি সর্বজনে, शgल ऊँiद्म छिन छि-cशाब्र कलानि ! “আমারে বাসেন ভাল সবার উপর,” পরস্পর সবাকার আছিল ধারণা ; হেন লোক আছে কোথা ভেবের ভিতর, ७a९७१ श१८१ यigअ1, ठूgड८छ शiडना । সৰ্ব্ব ইত্ৰই হা হতাশ ! আমি কোথাও গিয়া একটু স্বস্তি পাই না। সকলকার হা হতাশে আমিও সাস্তুনা পাই না, আমার হৃদয়ের হুতাশ আরও জ্বলিয়া উঠে । স্থির করিলাম কলিকাতায় যাওয়া ভাল ; সেখানে কত ভাল লোক আছেন । আর লৌকতা রাখিতে তা হবেই। একটি ভূত্য সঙ্গে ভাগীরথীর পুলের উপর দিয়া নৈহাটী যাইতেছি। কয়খানা মধ্যশ্রেণীর গাড়ী না, আমি আর আমার সেই ভূত্য । আর জন প্ৰাণী নাই। গাড়ীতে উঠিয়া একটু অন্যমনস্ক ছিলাম। গাড়ী যখন মধ্য গঙ্গার উপরে,-কুল-প্লবনী কুল কুল করিয়া সবিয়া পড়িতেছেন, গঙ্গার শীতল বায়ু বেশ আমার গাত্রে সর সর করিয়া লাগিতেছে, তখন ঠাহর হইল, আমি গুন গুন করিয়া নিধুবাবুর বিরহ-গীতি গান कcिडछि ।- 源 उध्र cद्र ! दिष्छ् द्र१ि ८ड८४, যতনে, হৃদি মাঝারে । ঠাওর হওয়ার পর, পোড়া-মুখে একটু হাসি আসিল-পিতৃশোক বিরহ গান ! মন্দ নয় ! তখন কেহ ছিল না, এখন তোমরা আমরা সম্মুখে রহিয়াছ-এই হাসিতে হাসিবে, না কাদিবে ? কলিকাতার বাসায় গিয়া রহিলাম । প্ৰত্যহ একখানা গাড়ী করিয়া গঙ্গা-স্নান তৰ্পণ করিয়া আসি, আর দুই চারি বাজী লৌক তা সালিয়া আসি । কিন্তু সর্বত্রই সেই চুচুড়ার মত হা-হুতাশ । খিদিরপুর গেলাম । হেমবাবুর কাছে সারিয়া, যোগেন্দ্ৰ ঘোষ মহাশয়ের বাড়ীতে গেলাম। সঙ্গে সেই চাকরি, আর ঢাকার শেষ যাত্রার সেই সঙ্গী-পূৰ্ণচন্দ্র মুখোপাধ্যায় ) ).br