পাতা:আত্মকথা - সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৯২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পো-র নিকট আসিয়া বকাবিকি করিতেন। বলিতেন, “আমাকে কি ডাকতে পার না ? বড় যে “বাবা” “বাবা’ কর, ঐ বাবা সব সশোিদশ খেয়ে ফেলেছে।” প্ৰপিতামহ মহাশয় Vyf Ffy উঠিতেন, “হাঃ হাঃ, বেশ করেছে, ওর জন্যই তো সব।” যখন সয়াখানি আমার হাতে না পড়িয়া মায়ের হাতে পড়িত, তখন পো হাত দিয়া সন্দেশ গুলি গণিয়া ব্ৰাখিতেন । তাহার পর তঁহাকে প্ৰতিদিন কয়টা করিয়া সন্দেশ দেওয়া হইত। তাহা গণিতেন। যদি দেখিতেন অধিকাংশ তাহাকে দেওয়া হুইয়াছে, তাহা হইলে ফাটাফাটি করিতেন, “আমাকে যদি সব দিলে তো বাবা খেলে কি ?” এ সকল লিখিতে আমার চক্ষে জল আসিতেছে । হায় । তখন আমি তাহার এতটা প্ৰেম বুঝি নাই। আমাদের বাড়িতে প্ৰায়ই ২ ৷৷ ৩টা বিড়াল থাকে । সে সময় একটা কদাকার বিড়াল ছিল। সে কদাকার বলিয়া মা তাহাকে হনুমান বলিয়া ডাকিতেন, আমরাও হনুমান বুলিতাম। হনু বড় চোর। পো-র পাতের মাছ চুরি করিয়া খাইত, তিনি দেখিতে পাইতেন না। এইজন্য মা প্রথম প্রথম পো-কে আহারে বসাইয়া বাম হস্তে একগাছি ছড়ি দিয়া আসিতেন ; বলিয়া আসিতেন, “মধ্যে মধ্যে বাড়িগাছটা আপসো, বেড়াল আসে।” পো মধ্যে মধ্যে ছড়িাগাছটা লইয়া বিড়ালের উদ্দেশে মারিতেন। একদিন দেখা গেল, হনুমান লম্বা হইয়া পো-র পাত হইতে চুরি করিয়া মাছ খাইতেছে, পে তাহার উদ্দেশে ছড়ি মারিতেছেন, সে ছড়ি হনুর পৃষ্ঠে চপ চপ করিয়া পড়িতেছে, হনুর গ্রাহাই নাই। তাহার পর হইতে মা আমাকে পো-র পাতের নিকট ছড়ি হস্তে বিড়াল তাড়াইবার জন্য বসাইয়া রাখিতেন। তাহার পর আর বিড়াল আসিতে পৱিত না। কিন্তু একদিন যে ব্যাপার ঘটিয়াছিল। তাহা বলিতে হাসিও পাইতেছে, লজ্জাও হইতেছে। সেদিন আমি বসিয়া আছি, পো আহার করিতেছেন। শুক্ত, ভাল, মাছের ঝোল, একে একে সব খাইলেন ; আমি ঠিক বসিয়া আছি, কিছুই বিভ্ৰাট ঘটিল না। কিন্তু শেষে যখন দৈ কলা ও সন্দেশ দিয়া ভাত মাখিলেন, তখন এই পেটকের পক্ষে স্থির থাকা কঠিন হইল। অলক্ষিতে ক্ষুদ্র হস্তে এক-এক থােক। ভাত গালে তুলিতে লাগিলাম। আমার প্রপিতামহের নিযম ছিল যে আহারে বসিয়া কথা কহিতেন না ; এ নিয়ম তিনি ৮ বৎসর হইতে ১০৩ বৎসর বয়স পৰ্যন্ত পালন কবিয়ছিলেন। আর একটি নিয়ম এই ছিল যে, আহারের সময় কেহ স্পর্শ করিলে SSSS LS DDBBD BDBDBD SS DBDBBBDB DD DBSDD BB BTLOB uDDTDLTSDDBS হাতে হাতে ঠেকিয় গেল। আমনি পো শিহরিয়া মাকে ইশারাতে ডাকিতে লাগিলেন “উ, উ, ” অৰ্থাৎ কে আমাকে ছুইয়া দিল, দেখ। মা আসিয়া দেখেন, পেটক V