পাতা:আত্মকথা - সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৭৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পূর্বভাষা গতবৎসর রোগশয্যায় পড়িয়া যখন এই পুস্তকের লিখিত কথা মনে মনে আলোচনা করিয়াছিলাম, তখন স্থির করিয়াছিলাম, ইহার নাম দিব “আমার শেষ কথা” । সেইজন্য এই পুস্তকের ভিতরে ঐ তিনটী শব্দ আছে। কিন্তু সেদিন বুঝিয়েছিলাম আমার পুত্রদ্বয়ের এবং কয়েকজন বন্ধুর ইচ্ছা নয় যে ঐ তিনটী শব্দ থাকে। কেন ইচ্ছা নয় তাহাও বুঝিয়াছি। ভয় পাছে সত্য সত্যই উহা আমার শেষ গ্ৰন্থ হইয়া পড়ে। তাই এ গ্রন্থের উপরিভাগে ঐ তিনটী শব্দ দিলাম না । আমি কিন্তু ওরূপ মনে করিয়া ঐ নাম দিব ভাবি নাই । আমার বাঙ্গালা লিখিবার এই একটা রীতি বা নিয়ম আছে যে, বাঙ্গালায় যাহা কেহ কখনও লেখে নাই এমন ভাল কথা বলিবার থাকিলেই আমি লিখি, নাহিলে লিখি না । এই জন্য আমি লিখিয়া গেলাম বড় অল্প, কিন্তু যাহা লিখিয়া গেলাম। এদেশে তাহা আর কেহ লেখেন নাই । আর এই গ্রন্থে যে কথা লিখিলাম তাহা যে কেবল অন্য বাঙ্গালা গ্রন্থে দেখি নাই, এমন নয়, কোন ইংরাজী গ্রন্থেও দেখি নাই। অন্য কোন ভাষায় লিখিত আছে বলিয়াও অবগত নাহি । এবং এই কথার অপেক্ষা বড় কথা কি হইতে পারে এখন তাহা কল্পনাও করিতে পারি না । অথচ আমি চিরকাল যে রীতি অনুসরণ করিয়াছি। তদনুসারে ইহার অপেক্ষা বড় কথা না পাইলে আর লিখিবও না । এইজন্য ভাবিয়াছিলাম। এই পুস্তকের নাম দিব। "আমার শেষ কথা” । এত বঁচিব না যে আর বই লিখিতে পারিব না। এরূপ ভাবিয়া ঐ নাম দিব মনে করি নাই। এই গ্রন্থের কথাগুলি কেবল আমার স্বদেশবাসীকে বলিলাম না, মনুষ্যমাত্ৰকেই বলিলাম। ১০৯ পৃষ্ঠার ত্রয়োদশ পংক্তি হইতে শেষ পৰ্যন্ত * আমার পুত্ৰ প্ৰকাশ নাথের লিখিত । তিনি বড় তত্ত্বানুসন্ধিৎসু এবং তত্ত্বকথার আলোচনায় তাহার বড় আনন্দ 家fé一 ৫নং রঘুনাথ চট্টোপাধ্যায় স্ট্রট, শ্ৰীচন্দ্ৰনাথ বক্স कळिकोंडी ॥ २$ंथांकुन्, >७०>*

  • বর্তমান গ্রন্থে ত্ৰয়োদশ পংক্তির আরম্ভ এই—“দুঃখের আয় এক ব্যাপক মূৰ্ত্তি vrits”

আত্মকথা-১