পাতা:আত্মচরিত (শিবনাথ শাস্ত্রী).pdf/৫০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


Sy শিবনাথ শাস্ত্রীর আত্মচারিত আর-একটা কথা স্মৃতিতে আছে । আমি জরে পড়িলে বা অন্য কোনও প্রকার পীড়াতে আক্রান্ত হইলে আমার মা সন্ধ্যাকালে আমাকে DBDD DDD BBDD DBBDD DBDBS BLB gD BD DBDBBS তৎপরে প্রপিতামহদেব আমার দেঙ্গে তাত বুলাইয়া ঝাড়িতে আরম্ভ করিতেন, ও সমগ্ৰ দেহে ফুৎকার দিতেন, ও মুখে মুখে ইষ্টদেবতার স্তব আবৃত্তি করিতেন। আমার বোধ হয়, আশ্চর্যের বিষয় এই ঝাড়িয়া দেওয়াতে অনেক সময়ে আমার জর সারিয়া যাইত। এইজন্য। জরে, আমার গাত্ৰজাল উপস্থিত হইলেই আমি “পোর কাছে নে যা” বলিয়া কাদিতাম । এই সাধু ও সিদ্ধ পুরুষের স্মৃতি আমাদের পরিবারে জীবন্ত রহিয়াছে। প্তাহার স্মৃতিচিহ্ন যাঙ্গা কিছু আছে, আমাদের গৃহে যত্নপূর্বক রক্ষিত চাইতেছে। সে সকলকে সকলেই পবিত্র চক্ষে দেখিয়া থাকেন। ইহা ঘলিলেই যথেষ্ট হইবে যে, ব্ৰাহ্ম হইয়া উপবীত ত্যাগের পর, আমার একবার যন্মারোগের সূচনা হয় ; তখন আমার জননী আমার পরিচর্য্যার জন্য কলিকাতা আসিয়া আমাকে লইয়া কয়েক মাস ছিলেন। তিনি আমার পূজ্য পোঠাকুরদাদার লাঠি, যোগপট্ট ও মালা আনিয়া আমার শয্যাতে রাখিয়াছিলেন ; বিশ্বাস এই ছিল, তাহার গুণে আমি রোগমুক্ত তইব। তিনমাস কাল ঐ-সকল দ্রব্য আমার শয্যা হইতে সরাইতে দেন নাই। তৎপরে এলোক হইতে যাইবার সময় পোর জপের মালা BDDBDS DDD L DDD BDBB D DBDBD D SDDDS আমি প্ৰতিদিন তাহা ব্যবহার করিতেছি। আমি আর কি বলিব, তাহার পর বহুবৎসর চলিয়া গিয়াছে, অনেক মানুষ দেখিয়াছি, নিজে অনেক ভ্ৰম প্ৰমাদ করিয়াছি, কিন্তু যখনই সেই সাধুপুরুষের সেই ধৰ্ম্মনিষ্ঠার কথা স্মরণ, করি, তখনই নিজের