পাতা:আত্মচরিত (সিগনেট প্রেস) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/১২৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


RKN offstogs N sy as-Syay কলিকাতায় শিক্ষকতা সোমপ্রকাশ পত্রিকার উন্নতি। আমি যখন হারনাভিতে বাস করি তখন সে স্থানে ম্যালেরিয়ার প্রথম আবিভােব; তাহার প্রকোপ তখন অত্যন্ত অধিক। সেখানে যাইবার কিছদিন পরেই আমাকে ম্যালেরিয়া জাবরে ধরে, ও বার-বার জবর হইয়া আমাকে বড় কাহিল করিয়া ফেলে। তাহার উপরে পাবোেন্ত সকল কারণে গারতের পরিশ্রম করিতে হইত, তাহাতে দেড় বৎসরের মধ্যেই আমার শরীর ভাঙিয়া গেল। আমার এই অবস্থা দেখিয়া আমার শাভানাধ্যায়ী তৎকালীন স্কুল সমহের ডেপটি ইনস্পেক্টর রাধিকাপ্রসন্ন মখোপাধ্যায় আমাকে ভবানীপরের নবপ্রতিষ্ঠিত সাউথ সবার্বন স্কুলের হেডমাস্টার করিয়া আনিলেন। যত দাির স্মরণ হয়, আমি ১৮৭৪ সালের শেষ ভাগে ঐ স্কুলে আসিলাম। আমার সবগ্রামবাসী ও আমার জ্যেষ্ঠ ভ্রাতৃসম ভক্তিভাজন উমেশচন্দ্র দত্ত মহাশয় আমার পথানে হরিনাভির হেডমাসটার হইয়া গেলেন। বিরাজমোহিনী তাঁহাদের সহিত হরিনাভিতে গিয়া তাঁহাদের পরিবারে বাস করিতে লাগিলেন। প্ৰসন্নময়ী লক্ষীমণি সহ আমার সঙ্গে ভবানীপরে আসিলেন। আমি শনিবার হরিনাভিতে যাইতাম, রবিবার সোমপ্রকাশ সম্পাদনা করিতাম, সোমবারে ভবানীপরে ফিরিয়া আসিতাম। এইরূপে কিছদিন গেল। অবশেষে আমি আমার কাজের সংবিধার জন্য মাতুলের কাগজ ও ছাপাখানা ভবানীপরে তুলিয়া আনিলাম। সোমপ্রকাশে এক ফরমা ইংরাজী সংযোগ করিয়া ইহার উন্নতি সাধন করিবার চেস্টা করিতে লাগিলাম। প্রেসেরও অনেক উন্নষতি করিলাম । এতদিভন্ন ভবানীপরে আসিয়াই কতিপয় ব্ৰাহম বন্ধর সহিত সমবেত হইয়া একটি ব্রাহামসমাজ সন্থাপন করিলাম। আমার নিজ ভবনেই এই সমাজের সাপত্তাহিক উপাসনা হইত। আমাকেই অধিকাংশ দিন আচায্যের কায করিতে হইত। মধ্যে-মধ্যে কলিকাতা হইতে নগেন্দ্ৰবাব প্রভৃতি কোনো-কোনো বন্ধকে আনিয়া উপাসনা করাইতাম । সিন্দরিয়াপটী ব্ৰাহমসমাজের আচায্যের যে ভার ছিল, তাহা আমি হরিনাভিতে থাকিবার সময়েও রাখিয়াছিলাম, এবং অনেক সময় জলে ঝড়ে দিযোগে হরিনাভি হইতে আসিয়া সম্পন্ন করিতাম; তাহা এই সময়ে আমার বন্ধ কেদারনাথ রায়ের প্রতি অপণ করি। তিনি ইহার পর অনেক দিন ঐ কায করিয়াছিলেন। ভারতবষীয় ব্রাহনসমাজ মধ্যে নানা আন্দােলন চলিতেছিল। ভবানীপরে আসিয়া

  • ミ8