পাতা:আত্মচরিত (সিগনেট প্রেস) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/১৪৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


হকুম নাই। কারণ শোনা গেল যে, এলবাৰ্ট হল ব্যবহার করিতে চাওয়াতে কেশববাব তাহার সম্পাদকরপে সভা করিবার অধিকার দিয়াছেন, কিন্তু গ্যাসের আলো ব্যবহার করিবার অধিকার না চাওয়াতে তাহা দেন নাই। ইহা লইয়া মহা বিভ্ৰাট উপস্থিত হইল। শত শত ভদ্রলোক উপস্থিত, যতদর সমরণ হয়। কতিপয় নারীও তাহার মধ্যে ছিলেন। সভাসস্থলে সমাগত লোকেরা অন্ধকারে বসিবার সােথান নির্দেশ করিতে পারেন। না। সভার উদ্যোগকর্তৃগণ ব্যস্ত হইয়া পড়িলেন। তাড়াতাড়ি বাজার হইতে বাতি কিনিয়া আনা হইল। কিন্তু অপর পক্ষীয় কতকগলি যােবক এত চীৎকার ও গালাগালি করিতে লাগিল যে, মিটিং করিতে পারা গেল না। তৎপরে ২৮শে ফেব্রুয়ারি টাউন হলে ব্ৰাহমদের মিটিং করিয়া ‘ব্রাহামসমাজ কমিটি” নিয়োগ করা হয় । এই ‘ব্রাহামসমাজ কমিটি’র নিয়োগ সম্পবন্ধে একটি কথা সন্মরণ আছে। রিজোলিউশনটি লিখিবার সময় কোনো কোনো বন্ধ এমন কঠিন ভাষা ব্যবহার করিতে চাহিলেন, যাহা ব্যবহার করার পর, আর কেশববাবার সহিত একত্রে থাকা সম্পভব নয়। আমি ও আনন্দমোহনবাব তাহাতে আপত্তি করিয়া বলিলাম, “আমরা এখনো এমন কথা বলিতে পারি না যে কেশববাবকে ছাড়িবই, সতরাং এমন কথা লেখা হইবে না। যাহাতে আমাদিগকে ছাড়িতে বাধ্য করে।” আমাদের আপত্তিতে ভাষাটি নরম করিয়া দেওয়া হইল। এদিকে আমি বড় নরম লোক বলিয়া বন্ধ্যরা আমার হাত হইতে সমালোচক তুলিয়া লইয়া দুবারিবাবার হাতে দিলেন। তিনি একেবারে অগিনিবষণা করিতে লাগিলেন। যত দর সমরণ হয়, সে সময়ে দেবীপ্রসন্ন রায় চৌধরিী ১৩নং কলেজ সন্ট্রীটে আমাদের সঙ্গে থাকিতেন, তিনি দাবারকানাথ গাঙ্গালীর সহিত একযোগে সমালোচকের ভার লাইলেন। কুচবিহার হিন্দবিবাহ। কেশববােব ব্রাহান্নগণের প্রতিবাদের প্রতি দকপাতও না করিয়া কন্যা লইয়া কুচবিহারে বিবাহ দিতে গেলেন। কুচবিহারে আমাদের লোক ছিল, তাঁহার নিকট হইতে আমরা সমন্দিয় ভিতরকার সংবাদ পাইতে লাগিলাম, এবং সমালোচকে "সারস পাখির উক্তি’ বলিয়া প্রকাশ করিতে লাগিলাম। সংবাদ পাওয়া গেলা-প্রথম, কেশববােব কন্যা সম্প্রদান করিতে পাইলেন না। দ্বিতীয়, বিবাহে রাজপরোহিত ব্ৰাহমণগণ পৌরোহিত্য করিলেন, গৌরগোবিন্দ রায় উপস্থিত ছিলেন মাত্র, কিছ করিতে পান নাই। তৃতীয়, বিবাহে ব্ৰহে মাপাসনা হইতে পারিল না। চতুৰ্থ, বিবাহে অগিন জবালিয়া হোম হইল, বর সেখানে থাকিলেন, কন্যাকে উঠাইয়া লওয়া হইল। পঞ্চম, বিবাহস্থলে রাজকুলের প্রথানসারে হরগৌরী নামক দাইটি পদাৰ্থ সন্থাপন করা হইল, প্রতাপচন্দ্র মজমিদার প্রভৃতি বন্ধগণের বহর প্রতিবাদ সত্ত্বেও তাহা অন্তহিত করা হইল না, ইত্যাদি। আচাষ পদ হইতে কেশবচন্দ্রকে অপসারণ। ১৮ই মার্চ কেশববােব কন্যার বিবাহ DBD DDBBDD DDBBD DBB BBB BBB BBDBDBD DBDBD DDBD DDD ভারতবষীয় ব্রাহমসমাজের সম্পাদক ছিলেন। উক্ত সমাজের মিটিং ডাকিবার জন্য শিবচন্দ্র দেব। প্রমািখ ব্ৰাহ গণের এক আবেদনপত্র তাঁহার নিকট গেল। তিনি মিটিং ডাকিতে স্বীকৃত হইলেন না, সে মিটিং ডাকার উপায় রহিল না। তাঁহাকে আচাযের পদ হইতে অপসত করিবার জন্য ভারতবষীয় ব্ৰহ মন্দিরের উপাসক-মন্ডলীর মিটিং NS 8 A