পাতা:আত্মচরিত (সিগনেট প্রেস) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/১৬২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বশিষ্ট রৌদ্র ভালো রূপে বারণ হয় না। চাকাতে স্প্রিং নাই, খটখট ওঠে ও পড়ে; অধ্যুদণ্ডের মধ্যে কোমরে ব্যথা হয়, ছটিলে চাকার শব্দে কৰ্ণ বধির প্রায় হয়। তাহার উপরে আবার অনেক গাড়িতে দই চাকাতেই করতাল বাঁধা থাকে, চাকার খড়খাড়ানি ও করতালের ঝােমঝামানিতে আর কিছ শনিতে পাওয়া যায় না। গাড়িতে চড়িয়া মনে হইল, করতাল বধিয়া ভালোই করিয়াছে, আরোহী যে ‘বাপ রে মা রে” করিবে, তাহা চালক শনিতে পাইবে না, তাহার গাড়ি চালানোর ব্যাঘাত হইবে না। এই এক্কা-গাড়িতে প্রথমদিন কিয়ন্দর গিয়া অচেতন্যপ্রায় এক দোকানে পড়িলাম। মনে করিলাম, আর প্রাতে উঠিতে পারিব না। কিন্তু প্রাতে দেখি, কোমরের ব্যথা অনেক কমিয়াছে; আবার যাত্রা করিলাম। দাইদিনে মতিহারী পৌছিলাম। মতিহারীতে BBDDD DDD S BB BBBB DBDBBD DBB DDDDD মতিহারী হইতে ফিরিয়া আমরা বাঁকিপার আর এলাহারাদ হইয়া লক্ষেী যাই। লক্ষেয়ী গিয়া টেলিগ্রাম পাইলাম যে, আমার জ্যোিঠ কন্যা হেমলতা কলিকাতাতে অত্যন্ত পীড়িত। মঙ্গেরে পরিবারদিগকে প্রেরণ করিবার সময় শিক্ষার জন্য একটি বন্ধর তত্ত্বাবধানে তাহাকে কলিকাতায় রাখিয়া গিয়াছিলাম। ঐ সংবাদ পাইয়া লক্ষৌএর কাজ বন্ধ করিতে হইল ও কলিকাতা যাত্ৰা করিতে হইল। আসিবার সময় মঙ্গের হইতে প্ৰসন্নময়ীকে সঙ্গে লইয়া আসিলাম, বিরাজমোহিনী অন্য সন্তানগণের ভার লইয়া মঙ্গেরেই থাকিলেন। সাধারণ ব্রাহামসমাজের মন্দির নিমাণের চেন্টা। আমি কলিকাতাতে ফিরিয়া তত্ত্বকৌমদীর সম্পাদকতা, উপাসক মন্ডলীর আচায্যের কায, এই সকল লইয়া ব্যস্ত রহিলাম। ভারতবষীয় ব্রহমমন্দির ত্যাগ করার পর তৎপাশীবাবতী ডাক্তার উপেন্দ্রনাথ বসর ভবনে কিছদিন আমাদের উপাসনা চলে। উপেন্দ্ৰবাব এই সঙ্কট কালে মহোপকার করিয়াছিলেন। কিছদিন পরেই ৪৫নং বেনিয়াটােলা লেনে একটি সপ্রশস্ত ঘর "ভাড়া করিয়া সেখানে আমাদের সাপত্তাহিক উপাসনা তুলিয়া আনা হয়। এই সময়ে সেইখানেই উপাসনার কাব্য চলিতেছিল। আমি আসিয়া দেখিলাম, বন্ধগণ ২১১নং কর্ণওয়ালিস স্ট্রীটে একখন্ড ভূমি নিধারণ করিয়া, সেখানে উপাসনা মন্দির নিমাণ করিবার উদ্দেশ্যে তাহা ক্ৰয় করিবার ইচ্ছা করিতেছেন, এবং সেজন্য প্রত্যেকে নিজের একমাসের আয় দিবেন বলিতেছেন। আমি সে কাযে মহা উৎসাহী হইলাম। শানিলাম, অৰ্থ সাহায্যের জন্য মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথের নিকটেও এক দরখাস্ত গিয়াছে, তাহাতে আনন্দমোহনবাবর, আমার, দগামোহনবাবর, গরচরণ মহলানবিশ মহাশয়ের, ও অপর কাহারও কাহারও নাম আছে; মহৰ্ষি তাঁহার জ্যোিঠ পত্র দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর মহাশয়কে খবর লইতে হইয়াছেন, ইত্যাদি। বোধ হইল যেন, তিনি ট্রান্টী নিয়োগের পাবে টাকা দিবেন। কি না, কাহার হাতে দিবেন, কত দিবেন, তাহা সিনেথর করিতে পারিতেছেন না। একদিন আমি মহাষির সহিত সাক্ষাৎ করিতে গেলাম। তিনি তখন তাঁহার জোড়াসাঁকোস্থ ভবনেই আছেন। গিয়া দেখি, ভক্তিভাজন রাজনারায়ণ বসা মহাশয় বসিয়া আছেন। তিনজনে অনেক কথা আরম্ভ হইল। মহর্ষি রাজনারায়ণবাবকে ও আমাকে বড় ভালোবাসিতেন। রাজনারায়ণবাবতে ও অামাতে মিলন, মহৰ্ষির নিকট S(tof