পাতা:আত্মচরিত (সিগনেট প্রেস) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/১৬৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বিষয়ে যে সকল বস্তৃতা হয়, তাহাতে তৎ তৎ কালে বিশেষ সফল ফলিয়াছিল, এবং তাহার অনেকগলি মাদ্রিত ও প্রচারিত হইয়াছে। পরে একবার ইহার উৎসাহী সভ্যগণের মধ্য হইতে কতকগলিকে লইয়া একটি ঘননিবিসিট মন্ডলী (ইচষার সাকল) করিবার চেন্টা করা হইয়াছিল। আমি তাহাদের সঙ্গে সম্প্ৰস্তাহে একবার বসিতীম এবং নানা বিষয়ে আলোচনা করিতাম; তদন্দবারা অনেক কাজও হইত, নিজেও বিশেষ উপকৃত মনে করিতাম। ছাত্র সমাজ এখনো আছে, কিন্তু আমি পর্বের ন্যায়। ইহার কায্যের প্রধান ভার আর আমার উপর রাখিতে পারি না। গাহে নিরাশ্রয়া বালিকার সংখ্যা বন্ধি। এই সময় প্রসন্নময়ী ও বিরাজমোহিনী পত্রকন্যাসহ মঙ্গের হইতে কলিকাতাতে থাকিবার জন্য আসিলেন। ইহারা আসিবার পর হইতে ক্ৰমেই আমাদের গহে নিরাশ্রয়া বালিকার সংখ্যা বাড়িতে লাগিল। তখন বালিকাদের জন্য বোডিং ছিল না। আমার বন্ধাদের কাহারও-কাহারও কন্যাকে গহে সােথান দিতে হইয়াছিল। তন্দিভন্ন যে সকল বালিকার কোনো আশ্রয় ছিল না, . এরপ বালিকাও অনেকগলি আসিয়া জটিতে লাগিল। প্ৰসন্নময়ীর সন্তানের ক্ষধা যেন মিটিত না। তাঁহার নিজের পত্রিকন্যা ছিল, তথাপি কোনো বালিকাকে নিরাশ্রয়া দেখিলে, তাহাকে নিজ ক্লোড়ে না লইয়া যেন স্থির থাকিতে পরিতেন না। এইরপে অতঃপর আমাদের গহে সর্বদাই পাঁচ ছয়টি করিয়া উপরি বালিকা থাকিত। ইহাদিগকে লইয়া আমরা পরম সখে বাস করিতাম। অনেক সময় আমাদের দই তিনটির বেশি শয়নঘর থাকিত না। প্রসন্নময়ীর সন্তানদের সঙ্গে দই একটি, আমার সঙ্গে আমার ঘরে দই একটি, বিরাজমোহিনীর সঙ্গে তাঁহার ঘরে দই-চারিটি বালিকা থাকিত, এইরপে চলিত। প্ৰসন্নময়ী ও বিরাজমোহিনী এই বহৎ পরিবারের জন্য রন্ধন করিতেন ও ইহাদিগকে পালন করিতেন। এই বালিকাদের অধিকাংশ পরে বিবাহিত হইয়া সখে ঘরকল্পনা করিতেছেন, কোহ-কেহ বা শিক্ষা লাভ করিয়া নিজে অথোেপাজন করিয়া পরোপকার ধম পালন করিতেছেন। সেজন্য জগদীশবরকে

  • न्दा ।

পশ্চিমে প্রচার যাত্রা। তত্ত্বকৌমদীর ও ছাত্র সমাজের কায্যের ব্যবস্থা করিয়া এবং প্ৰসন্নময়ী ও বিরাজমোহিনীকে কলিকাতায় সস্থাপন করিয়া, আমি ১৮৭৯ সালের মে মাসে আবার প্রচারে বাহ্যিগত হই। এবার কমিটি স্থির করিলেন যে, আমি উত্তরপশ্চিম, পাঞ্জাব, সিন্ধ, বোম্বাই, গজরাট ও মান্দ্রাজ প্রভৃতি সমগ্র ভারতবর্ষ প্ৰদক্ষিণ করিব। আমি তদনরপে প্রস্তুত হইতে লাগিলাম। কিন্তু ভারত প্ৰদক্ষিণের প্রধান আয়োজন যে অর্থ, সেদিকে আমারও দন্টি নাই, সমাজের কমচারীগণেরও দন্টি নাই। আমি ভাবিয়া রাখিয়াছি, সমাজ আপিস হইতে টাকা লইব, লইয়া যাত্রা করিব। মনে-মনে সিনেথর করিয়াছি যে, একেবারে আগ্ৰায় যাইব, যাইবার সময় বাঁকিপার বা এলাহাবাদে নামিব না, কারণ পােব বৎসর। ঐ সকল সস্থানে গিয়াছিলাম। বিশেষত অগ্ৰেই সংবাদ পাইয়াছিলাম যে, আমার বন্ধবের আগ্রা প্রবাসী নবীনচন্দ্র রায় শীঘ্ন কম হইতে ছটি লইয়া সপরিবারে তাঁহার জমিদারী ব্রাহমাগ্রামে গমন করিবেন। তুমির, যাত্রা করিবার পরে তাঁহার সািহত দুইদিন যাপন করিবার জন্য বায় SW (t