পাতা:আত্মচরিত (সিগনেট প্রেস) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/১৮২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বলি, “দেনার টাকার কি হবে ? ঋণ থাকিতে আমি কিরাপে চাকুরী ছাড়িয়া প্রচার কাযে ব্ৰতী হইব ?” তাঁহারা তখন আমার এই চিন্তাকে হাসিয়া উড়াইয়া দেন। বলেন, “সমাজের জন্য আমাদিগকে কত শত টাকা দিতে হবে, তুমি কি সামান্য ঋণের টাকার কথা বল! ও টাকা আমাদের সমাজে দান।” আমি বলি, “আচ্ছা, আমি যদি কখনো কোনো প্রকারে টাকা উপাজন করি, এবং আপনাদের ঋণ শোধ করতে পারি, আপনাদের টাকা আপনাদের নিতেই হবে।” তাঁহারা বলেন, “আচ্ছা, তখন দেখা যাবে। LK LL DDLLYY DBD D S তখন এই কথা থাকে। তদনসারে এবার পরীক্ষকের বত্তি পাইয়াই আমি BBBBDDDBBBDu DD DB BDB BDBB BDDBD DBBD DDDD DBDBDB DDBBS গড় বয়! কোয়াইট ওয়াদি অভ ইউ! মেক ওভার দি ফোর হাড্রেড রােপীজ ট জি. সি. মহলানবীশ এ্যাজ পাট অভ মাই কন্ট্রিবিউশান টা দি মন্দির বিলিডিং ফাগড । তিনি বন্ধকে কতব্য করিতে দিলেন, অথচ সমাজের সাহায্য করিলেন। আনন্দমোহনবাবরে দেনা শোধ দিবার অবসর প্রায় বিশ বৎসর পরে উপস্থিত। হইয়াছিল। বিশ বৎসর পরে আমি যখন টাকা দিবার জন্য তাঁহাকে পত্র লিখিলাম, তখন তিনি লিখিলেন যে, তাঁহার পরাতন কাগজপত্র নাই এবং ঐ টাকার কথা তাঁহার সমিতিতেও নাই। পরে যখন দেখিলেন যে ঋণটা শোধ না দিলে আমার মনটা শান্ত হয় না, তখন অনিচ্ছাসত্ত্বেও টাকাটা লইলেন। কিন্তু পরে জানিয়াছি যে, সে-টাকা সর্বতন্ত্র করিয়া বাড়ির মেয়েদের হাতে দিয়া এই আদেশ করিয়াছিলেন যে, তাঁহারা তাহা আমার সাহায্যাৰ্থ ব্যয় করিবেন। তাঁহারা এইরপে শত-শত টাকা আমার সাহায্যাৰ্থ দিয়া আসিতেছেন। তাহা আর কি বলিব! তাঁহাদের প্রতি কৃতজ্ঞতার ঋণ অপরিশোধনীয়। আজিও বহন পরিবারের বন্ধগণ আমার পশ্চাতে সহায় হইয়া রহিয়াছেন। আমি কোনো অভাবে পড়িয়াছি জানিলেই সাহায্যের জন্য তাঁহাদের দক্ষিণ হস্ত প্রসারিত হয়। বলিতে চক্ষে জল আসে, আমাকে কিছদিন দেখিতে না। পাইলেই তাঁহারা অস্থির হইয়া উঠেন, তবে বঝি কোনো ক্লেশের মধ্যে বাস করিতেছি! আমনি চিঠির উপর চিঠি আসে, বা নিজেরা কেহ আসিয়া উপস্থিত युन्म । ১৮৮০ সালের মাঘোৎসব। ১৮৮০ সালের মাঘোৎসব অধ্যুনিমিত মন্দিরের উপর চাঁদোয়া দিয়া সমাধা করা হইল। এই উপলক্ষে গোঁসাইজনী, বিদ্যারত্ন ভায়া, শিবনারায়ণ অগিনহোত্রী ও আমি, এই চারিজনকে বিশেষ উপাসনান্তর প্রচারক রাপে বরণ করা হয়। আনাড়ি অশবারোহীর দাজিলিং যাত্রা। এই বৎসর ১লা বৈশাখ দিবসে, দাজিলিং পাহাড়ের নব নিমিত উপাসনা মন্দির প্রতিষ্ঠিত হইবে। এরপ স্থির হয়; ও মন্দির প্রতিস্ঠার জন্য আমি উক্ত সন্থলে যাই। তখন উত্তর-বঙ্গে শিলিগড়ি পর্যন্ত রেল ছিল। শিলিগড়ি হইতে দাজিলিং পর্যন্ত রেল পাতা হইয়াছিল, কিন্তু তখনো রেল খোলে নাই। আমি শিলিগড়িতে গিয়া ডাক্তার আনন্দচন্দ্র রায়ের ভবনে আশ্রয় লইলাম। তখন শিলিগড়ি হইতে দাজিলিং পর্যন্ত টােঙ্গা নামক এক প্রকার গাড়ি চলিত। কিন্তু তাহার ভাড়া এত অধিক ছিল যে, আমার দরিদ্র ব্ৰাহম বন্ধদিগের পক্ষে NA