পাতা:আত্মচরিত (সিগনেট প্রেস) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/২১০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


হউক, আমার উপবীত পরিত্যাগের আঠারো উনিশ বছরের পরে বাবা আমার মািখ দেখিলেন ও আমার সঙ্গে কথা কহিলেন। এত যে গারতের পীড়া, তাহাতে বাবাকে কিছমাত্র লালান বা বিষন্ন মনে হইত। না। ডাক্তার হাত দেখিয়া বলিতেছেন, “নাড়ী পাওয়া যাচ্ছে”; বাবা হাসিয়া বলিতেছেন, “আনাড়ীর আবার নাড়ী!” মা কাঁদিতেছেন, বাবা তাঁহার দিকে অঙ্গলি নির্দেশ করিয়া আমাকে বলিতেছেন, “কেমন অজ্ঞ, দেখেছি? যার জন্য কাশীতে আসা, তাই ঘটবার উপক্ৰম; কোথায় আমোদ করবে, না, কান্না! কাশীতে কিছ বিষয় বাণিজ্য করতে আসিনি, মরতে এসেছি, সেই মরণ এসে উপস্থিত, তাতে আবার শোক কেন ?” আমি বলিলাম, “বাবা! আপনি তো সহজ কথাগালো বললেন, মা’র প্রাণ তা শানবে কেন ?” বাবা বলিলেন, “তবে ওঁর এখানে আসা উচিত হয়নি।” তারপর শোনা গোল যে কচি তালের জল দিলে হিক্কা থামিতে পারে। কচি তাল কোথায় পাওয়া যায়। আমি সেই চেন্টায় বড় ব্যস্ত হইলাম। পরদিন প্রাতে আমার একজন বন্ধ তাঁহাকে দেখিতে আসিলেন। বাবা হাসিয়া তাঁহাকে বলিলেন, “দেখ হে, তাল না পেলে এ তাল সামলাচ্ছে না।” তিনি যাইবার সময় হাসিয়া বলিয়া গেলেন, “একে মারে কে ? এমন মানসিক বল তো সচরাচর দেখা যায় না।” যাহা হউক, বাবা কয়েকদিনের মধ্যে সারিয়া উঠিলেন। তিনি অন্ন পথ্য করিলে, আমরা তাঁহাকে সস্থ দেখিয়া কলিকাতা যাত্রা করিলাম। আমাদের যাত্ৰা করিবার “না বাবা, তা হবে না। আপনার বোমাকে তো আমি এনেছি, আমিই নিয়ে যাব; আপনার যাওয়া হবে না।” তিনি কোনো মতেই সে কথা শানিলেন না; মহা চেস্টাতে উঠিতে চাহিলেন। কি করা যায়, দইজন লোক তাঁহার কাঁধে হাত দিয়া তাঁহাকে শয্যা হইতে তুলিলেন, এবং ধরিয়া আস্তে আস্তে সিড়ি দিয়া নিচে নামাইলেন; তাহার পরে বাবা কোনো মতে লাঠিতে ভর দিয়া ও মানষের হাত ধরিয়া ধীরে-ধীরে গলির মোড়ে বড় রাস্তার ধারে আমাদের গাড়ির নিকট পর্যন্ত আসিলেন। যেই আমি ও বিরাজমোহিনী তাঁহার পদধলি লইয়া গাড়িতে উঠিলাম, অমনি বাবা কাঁদিয়া মাথা ঘরিয়া রাস্তায় বসিয়া পড়িলেন। সেখান হইতে ধরাধরি করিয়া তাঁহাকে বাসায় व्ट्रेझा शास्3शा श्रेष्ठ । ইহার কিছ কাল পরে (১৮৮৮ সালের ১৩ই এপ্রিল) বাঘআচড়া নিবাসী শ্ৰীমান যোগেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় নামক একটি যাবার সহিত আমার দ্বিতীয়া কন্যা एठद्र७िलाeीद्र विवाङ् इश्झ । RON