পাতা:আত্মচরিত (সিগনেট প্রেস) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/২৬৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


উপর পারষদিগের গায়ের শাল, দামী পট্টবস্ত্র, মহিলাদের বালা, চুড়ি, গলার হার BDDBDB DBuBDB DDDB SS BBD DuB DBDD BB BBBD BDDD DBDDBDB SS S এইরুপ স্বতঃপ্রবত্ত দানের দ্বারা সাধনাশ্রম চিরদিনই চলিয়া আসিয়াছে। সাধনাশ্রমের ইতিবত্ত দেখিয়া বন্ধগণ জগদীশবরকে ধন্যবাদ করিবার যথেস্ট কারণ পাইবেন। তিনি যে ইহার অর্থাভাব পরিণ করিয়া আসিয়াছেন কেবল তাহা নহে, ইহার হুবারা আকৃলিট হইয়া অনেকে ব্রাহমাধ্যম প্রচারে ও ব্রাহামসমাজের সেবাতে আত্মসমপণ করিয়াছেন। তাঁহাদের মধ্যে হইতে চারিজনকে এ পর্যন্ত সাধারণ ব্ৰাহসমাজ আপনাদের প্রচারক পদে বরণ করিয়াছেন। আর একটি সমরণীয় ঘটনা, একবার আমি সাধনাশ্রমের কােষ ভার আশ্রমের একজন পরিচারকের প্রতি দিয়া ধম প্রচারার্থ লাহোরে গিয়েছিলাম। সেখানে সংবাদ পাইলাম, আশ্রমে মহা অর্থকষ্ট উপস্থিত, দিনে দাই-তিন আনা মাত্র বাজার হইতেছে। যে রবিবার প্রাতে এই সংবাদ পাইলাম, সেইদিন তথাকার এক ব্রাহাম-বন্ধীর ভবনে আহারের নিমন্ত্রণ ছিল। আহার করিতে যাইবার সময় সঙ্গের একটি ব্রাহাম-বন্ধকে বলিলাম, “আজ আমার নিমন্ত্রণ খেতে উৎসাহ হচ্ছে না। কলিকাতার আশ্রমে যাঁরা আছেন, তাঁদের বাজারের পয়সা নাই, আর আমি এখানে নিমন্ত্রণ খেয়ে বেড়াচ্ছি, এ ভালো লাগছে না। কিন্তু কি করি, কথা দিয়েছি, না গেলে নয়।” এই বলিয়া কোনো প্রকারে গিয়া আহার করিয়া আসিলাম। সায়ংকালে লাহোর মন্দিরে উপাসনার কাব্য আমাকে করিতে হইল। উপাসনাতে আমি বেদী হইতে নামিয়াছি, এমন সময় একজন আসিয়া আমাকে বলিলেন যে, একটি পাঞ্জাবী বড়ঘরের মেয়ে আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করিবার জন্য মন্দিরের পশ্চাতের ঘরে অপেক্ষা করিতেছেন। আমি গিয়া দেখি, তিনি একজন বড়লোকের পত্ৰবধ; তাঁহার পতি কিছদিন পাব হইতে ব্ৰাহমসমাজের দিকে আকৃষ্ট হইয়াছেন। তিনি আমাকে দেখিবামাত্র সর্বীয় আসন হইতে উঠিয়া গলবস্ত্রে আমার চরণে প্ৰণত হইলেন, এবং আমার পায়ে একশত টাকার নোট রাখিয়া বলিলেন, “আপনার সােথাপিত আশ্রমের সাহায্যাথোঁ দান।” তৎপর দিনই সেই টাকা কাব্যাধ্যক্ষের নিকট প্রেরণ করিলাম। ব্ৰাহম বালক বোডিং। এই কালের মধ্যে আর একটা কাজে হাত দেওয়া গিয়াছিল, তাহাতে কৃতকায হইতে পারা যায় নাই। যে সময়ে আশ্রমের প্রতিষ্ঠাকাযে ব্যস্ত ছিলাম, সেই সমকালেই সীতানাথ নন্দী নামে এক ব্রাহমযবক আমার নিকট ব্ৰাহনবালকদিগের জন্য একটি বোডিং স্কুল স্থাপনের আবশ্যকতার উল্লেখ করেন। আমি বলি, “তোমরা কাযে প্রবত্ত হও, আমি পশ্চাতে আছি।” তিনি বলেন, “আপনি যদি সম্পাদক বলিয়া নাম দেন, তাহা হইলে আমরা কাযে প্রবত্ত হইতে পারি।” আমি সম্পাদকরাপে নাম দিতে সবেীকৃত হই, এবং ঐ কায্যের দায়িত্ব নিজের শিরে গ্ৰহণ করি। সীতানাথের তত্ত্বাবধানে বোডিং স্থাপিত হয়। ক্ৰমে অনেকগলি বালক জোটে। দঃখের বিষয়, ইহার অলপদিন পরেই সীতানাথ নন্দীর মাতুত্যু হয়। তাঁহার মতু্য হইলে আমি বোডিঙের ভার সাধনাশ্রমের পরিচারক গািরদাস চক্রবতীর প্রতি অপণ করি। সতীশচন্দ্ৰ চক্রবতী নামক একজন পর্ববঙ্গীয় যােবক আসিয়া আশ্রমে যোগ দেন, এবং ব্ৰাহমবালক বোডিাঙে গািরদাসবাবার সহকারী হন। তাঁহাদের তত্ত্বাবধানে বোডিং কিছদিন চলে। তৎপরে গািরদাসবাব, প্রভৃতি কলিকাতা ত্যাগ করিয়া আরাতে, ও সেখান হইতে বাকিপরে গমন করেন, এবং সেখানে শাখা সাধনাশ্রম RS