পাতা:আত্মচরিত (সিগনেট প্রেস) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/২৮০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কুস্যম। এমন কথা কখনো শনিনি যে, বেড়ালছানার জন্যে দধি রোজ করে! বাবা। আহা, ওরা শিশ। r“, এই ‘শিশদের মধ্যে একটি একদিন রাত্রি বিপ্রহরের সময় কাতর ধবনি করিতেছে। বাবার নিদ্রা ভঙ্গ হইল, হঠাৎ সেই কাতর ধবনি শনিয়া অস্থির হইলেন, “ওরে কুসী, বেড়ালছােনা কাঁদে কেন রে ? বঝি শীত করছে।” কুসমে । তুমি ঘমোও, ঘামোও । ওর মাকে পাচ্ছে না বলে ডাকছে। এখনি ওর মা আসবে, তখন চুপ করবে। একথা বাবার মনঃপত হইল না। তিনি উঠিলেন এবং বিড়াল শাবকটিকে আপনার লেপের মধ্যে আনিয়া কোলে করিয়া শাইলেন। তবও সে থামে না! বাবা বলিলেন, “আহা, শিশ, কি না, বোধ হয় উদরের পীড়া হয়েছে।” কুসম (রাগিয়া) । হাঃ ! ওর উদরের পীড়া হয়েছে! যাও, তুমি উঠে গিয়ে কবিরাজ : ডেকে আন ! এই “উদরের পীড়া’র বিষয়ে একটা কথা আছে। আমার বাবা সামান্য কথোপকথনেও অনেক সময় শব্দ্ধভাষা ব্যবহার করিতেন। ইহা লইয়া আমাদের বাড়িতে সময়ে-সময়ে বড় হাসােহাঁসি হইত। তাহার একটি দলটান্ত দিতেছি। একদিন তিনি দ্বিপ্রহরের সময় আহারান্তে শয়ন করিয়াছেন। সবে নিদ্ৰা আসিতেছে, এমন সময় পাড়ার কতকগলি বালক-বালিকা আমার ভাগিনেয়ীর সঙ্গে খেলিবার জন্য আসিয়া উপস্থিত। তাহারা গোল করিতেছে। বাবা বিরক্ত হইয়া বলিলেন, “আঃ, নিদ্ৰাকষাণ হচ্ছে, এখন কে গোল করে ?” মা আসিয়া ছেলেগালিকে তাড়াইয়া দিলেন, বলিলেন, “যাঃ, যাঃ, অন্য জায়গায় খেলগে যা! এখন “কষাণ’ হচ্ছে, দেখছিস না ?” এই লইয়া আমার ভগিনীদের মধ্যে মহা হাসি উঠিয়া গেল। ইত্যর প্রাণীদের উপরে বাবার ভালোবাসার আর একটি দাম্পটালত এই। কতকগলি শকুনি কালীনাথবাবার নারিকেল বাগানের নারিকেল গাছে বসিয়া সর্বদাই নিজেদের বাসা বাঁধিবার জন্য পাতা ছিড়িত। বাবা কাহার নিকট এই ভুল সংবাদ শানিলেন যে কালীনাথবাব, শকুনিগলিকে ভয় দেখাইবার জন্য বা মারিবার জন্য বন্দক আনিয়াছেন। ইহা শনিয়া বাবা চটিয়া গেলেন, এবং বলিলেন, “এরা আবার ব্রাহম! শকুনি তোমার গাছের পাতা নেবে না, আমার গাছের পাতা নেবে না, তবে কি ওদের নিজের গাছ আছে যে বাসা বাঁধরে ?” ইহার কিছদিন পরে আমি বাড়িতে গেলে, বাবা আমাকে ঐরােপ কথা বলিয়াছিলেন। এই পিতার গহে জন্মিয়া ইহারই দশটান্তের প্রভাবের ভিতরে আমি বধিত হইয়াছি। আমি আত্মজীবন পরীক্ষা করিয়া পরিস্কােরর পে দেখিতে পাই যে, এই তেজস্বিতা, এই সত্যান্যরাগ, এই দঢ়চিত্ততা, এই সহদেয়তা শৈশব হইতে না দেখিলে আমি নীতির মাল্য এরপে হদয়ঙ্গম করিতে পারিতাম না। কিন্তু অপরদিকে ইহাও অনভব করি যে, পিতার তেজস্বিতা, মনীষ্যত্ব, আত্মমর্যাদা জ্ঞান, ও দঢ়চিত্ততা আমি পণ্য মাত্রাতে পাই নাই। এগলি আরও অধিক মাত্রাতে আমাতে থাকিলে ভালো হইত। জননী গোলোকমণি দেবী। আমি শৈশব হইতে যেমন পিতাতে মনীষ্যত্ব ও দঢ়চিত্ততার BDBB BDBD DDDSBDD DBDuBB DBDDDDDBD BBDuDD BDBDDuDuS দেখিয়াছি। আমার মাতামহ ধামিক গহন্থের আদশ ছিলেন; আমার মাতুল দেশে Se &