পাতা:আত্মচরিত (সিগনেট প্রেস) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/৭৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


DDD DBDL S DD gBBDD DDBBBB BD SS DDDDBDBBBDBBD BBYS আমি মনে মনে ভাবিতাম, আমার আলাপী কি কোনো ছেলে পাওয়া যায় না, যে মেয়েটিকে বিবাহ, করিতে পারে ? ইতিমধ্যে আমার সহাধ্যায়ী বন্ধ যোগেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় বিপত্নীক হইলেন। তাঁহার প্রথমা সন্ত্রীর পরলোক গমনের দশ-বারোদিনের মধ্যেই তাঁহার আত্মীয়-স্বজন তাঁহাকে পানরায় দার পরিগ্রহ করিবার জন্য অস্থির করিয়া তুলিলেন। যোগেন্দ্র আসিয়া আমাকে সেই কথা জানাইলেন এবং আমার পরামশ চাহিলেন। আমি বলিলাম, “যাও যাও, আমাকে কিছ জিজ্ঞাসা কোরো না। দশ-বারোদিন হল তোমার সন্ত্রী মরেছে, এর মধ্যে বিবাহের কথা! আর বিয়েই যদি কর, একটি আট-নয়-বছরের মেয়ে বিয়ে করবে তো, তাতে আমার মত নেই। তোমার যা ইচ্ছে হয় কর।” যোগেন্দ্র সেদিন বিষন্ন অন্তরে ঘরে গেলেন। দদিন পরে আবার আসিয়া আমাকে ধরিলেন। আমি তাঁহাকে বিধবাবিবাহ করিবার জন্য নাচাইয়া তুলিলাম। তিনি তাহাতে সক্ষমত হইলেন। তখন আমি হেমন্দাদার সাহায্যে ঈশানচন্দ্র রায়ের সহিত সাক্ষাৎ করিলাম। যোগেন্দু ও ঈশানের ভগিনী মহালক্ষী পরস্পরের সহিত পরিচিত হইলেন এবং বিবাহিত হওয়া স্থির করিলেন। মহালক্ষীর বয়স তখন বোধ হয় ১৮ বৎসর হইবে। আমাদের অপেক্ষা ২। ৩ বৎসরের ছোট। বিবাহ স্থির হইলে আমি সেই সংবাদ লইয়া বিদ্যাসাগর মহাশয়ের নিকট গেলাম। তিনি পাব হইতেই ঈশানকে ও তাহার ভগিনীকে জানিতেন, এবং যত দর সমরণ হয় কিছ-কিছ অর্থ সাহায্য করিয়া আসিতেছিলেন। আমার মাখে এবং নিজে উপস্থিত থাকিয়া বিবাহ দিবেন বলিলেন। বিবাহের দিন স্থির করিয়া দাই-তিনজন ভদ্রলোককে মাত্র নিমন্ত্ৰণ করিয়া বিবাহ দেওয়া হইল। বিদ্যাসাগর মহাশয় বিবাহের সমােদয়া ব্যয় দিলেন, এবং আমার যত দীর সমরণ হয়, কন্যাকে কিছকিছ গহনা দিলেন। এই বিবাহের পরেই ভয়ানক নিযাতন আরম্ভ হইল। যোগেন্দ্রের আত্মীয়স্বজন তাঁহাকে পরিত্যাগ করিলেন। তাঁহার সকলারশিপ ও ঈশানের সকলারশিপ মাত্র ভরসা। দাঁড়াইল। তদপরি চাকর-চাকরানী কেহই থাকে না, দিন চলা ভার। এই অবস্থাতে তাঁহারা আমাকে গিয়া তাঁহাদের সঙ্গে থাকিতে অনরোধ করিলেন। আমি তখন শাঁখারীটোলায় জগৎবাবার বাটীতে থাকিতাম। যোগেন্দ্রের ও ঈশানের সঙ্কলারশিপের সহিত আমার সাকলারশিপ যোগ করিলে তাঁহাদের কিঞ্চিৎ সাহায্য হইতে পারে, এবং আমি সঙ্গে থাকিলে অপরাপর নানা প্রকারে সাহায্য হইতে পারে, এই আশায় তাঁহারা আমাকে তাঁহাদের সঙ্গে থাকিতে ধরিয়া বসিলেন। আমি বিবাহের ঘটক, আমি তাঁহাদের বিপদের সময় কিরাপে সাহায্য দানে বিরত থাকি ? সতরাং আমি বাবাকে সমাদয় বিবরণ লিখিয়া দিয়া তাঁহাদের সঙ্গে জটিলাম । বাবা এই সংবাদ পাইয়া অশ্চিনসমান হইয়া উঠিলেন, কারণ জ্ঞাতি কুটম্পব ও “গ্রামের লোক এই সংবাদ পাইলে গোলযোগ করিবে। তিনি আমাকে ইহাদের সঙ্গ পরিত্যাগ করিবার জন্য আদেশ করিয়া পত্র লিখিলেন। আমি অনানয় বিনয় করিয়া লিখিলাম, যে বিবাহের আমি ঘটক, সেই বিবাহ নিবন্ধন বিবাহিত দম্পপতি যখন ঘোর নিযাতন ও দারিদ্র্যের মধ্যে পড়িয়াছেন, তখন সাহায্যের উপায় থাকিতে সাহায্য চনা করা অধম ; সতরাং সেরাপ কাজ আমি করিতে পারিব না। বাবা সে ব্যক্তির প্রতি Gy