পাতা:আত্মচরিত (৩য় সংস্করণ) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/১৫৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শিবনাথ শাস্ত্রীর আত্মচারিত [। ৫ম পরিঃ واحد لا ভারত উদ্ধারের যত রকম খেয়াল ঘুরিত, সকলের উৎসাহদায়িনী ছিলের্ন মহালক্ষ্মী। এ জীবনে আমার অনেক চেলা জুটিয়াছে; কিন্তু মহালক্ষ্মীর মত’ চেলা অল্পই জুটিয়াছে। এই সময়ে জন ষ্টুয়াট মিলের গ্রন্থ পড়িয়া যোগেন কিছু দিনের জন্য নাস্তিক হইয়া উঠিয়াছিলেন। তাহা লইয়া আমার সঙ্গে রোজ তর্ক ও ঝগড়া চলিত। আমি তাহাকে আস্তিক করিবার চেষ্টা করিতাম, কিন্তু ঝগড়ার ফল। এই হইত। যে তিনি আরও দৃঢ়তার সহিত নাস্তিকতা প্রচার করিতেন। তিনি হাসিয়া আমাকে বলিতেন, “স্ত্রীটিকে ত চেলা করিয়া লইয়াছ, যােত পার ধৰ্ম্ম তাহাকে ভজাও ; আমাকে ছাড় না ।” আমি যোগেনকে না পারিয়া মহালক্ষ্মীকেই ভজাইতাম। দুজনে প্ৰতি দিন ব্ৰহ্মোপাসনা করিতাম । আমরা তিনটি প্ৰাণী এমনি ‘রিফৰ্ম্মীর’ হইয়া উঠিয়াছিলাম যে, আমরা তিন জনে পরামর্শ করিয়াছিলাম যে আমার দ্বিতীয়া পত্নী বিরাজমোহিনীকে আনিয়া পুনরায় বার্তাহার বিবাহ দিব। তখনও আমি বিরাজমোহিনীকে পত্নীভাবে গ্ৰহণ করি নাই। এই ১৮৬৮ সালে আমি এক বার তঁহাকে আনিতে যাই । তখন তিনি ১১।১২ বৎসরের বালিকা ৷ বোধ হয়, আমার পিতা মাতার পরামর্শ ভিন্ন আনিতে গিয়াছিলাম বলিয়া তাহারা পাঠাইলেন না। যাহাকে বিবাহ দিব ভাবিতেছি, তাহাকে পত্নীভাবে গ্ৰহণ করা কীৰ্ত্তব্য নয় বলিয়া তাহাকে পত্নীভাবে গ্ৰহণ করিতাম না । তাহাকে যে আনিয়া মহালক্ষ্মীর কাছে রাখিতে পারিলাম না, এজন্য মহা छृश्यः शठ । এল এ পরীক্ষার জন্য দুরন্ত শ্ৰম।—তার পর, আমার এল এ পরীক্ষাতে উত্তীর্ণ হওয়া। যোগেনের বিধবাবিবাহের ফলস্বরূপ আমাদিগকে কিরূপ নিৰ্য্যাতন ভোগ করিতে হইয়াছিল, অগ্ৰেই তাহার বর্ণনা করিয়াছি। বিবাহের কিছু দিন পরেই মহালক্ষ্মীর স্বাস্থ্য ভগ্ন হইতে লাগিল ; চাকর পাওয়া যায় না, রাধুনী পাওয়া যায় না, সেই অবস্থাতেই তাহাকে