পাতা:আত্মচরিত (৩য় সংস্করণ) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/২০৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শিবনাথ শাস্ত্রীর আত্মচারিত ( 9ë •ft: গেলেন। আমার যত দূর স্মরণ হয়, আমি কুমারী রাধারাণী লাহিড়ীকে বলিয়া কহিয়া তাহাকেও লেখিকা করিয়াছিলাম। অবলাবান্ধবে আমার গদ্যপদ্যাত্মক প্ৰবন্ধ মধ্যে মধ্যে প্রকাশিত হইত। দুঃখের বিষয়, উক্ত পত্রিকার একখানি ফাইলও খুঁজিয়া পাই নাই। অবলাবান্ধবের সহিত যোগ রহিয়াছে, সেই সময়ে এক দিন কলেজে পড়িতেছি এমন সময়ে উমেশচন্দ্র মুখোপাধ্যায় আসিয়া আমাকে বলিল, “ও রে ভাই, অবলাবান্ধবের এডিটর কলিকাতায় এসেছে, আমাদের সঙ্গে দেখা করতে এসেছে।” অমনি আমি আমাদের ‘হিরো’কে দেখিবার জন্য বাহির হইলাম। গিয়া দেখি, এক দীর্ঘাকৃতি একহারা পুরুষ, স্কুল মাষ্টারের মত লম্বা চাপিকান পর, দাড়াইয়া আছেন। তিনি দ্বারকানাথ গঙ্গোপাধ্যায়। সেদিন আর অধিক কথা হইল না। সে যাত্রা বোধ হয় তিনি কয়েক দিন পরেই দেশে চলিয়া গেলেন ; কিন্তু কিছু দিন পরেই অবলাবান্ধব লইয়া কলিকাতায় আসিলেন ; এবং পূর্ববঙ্গীয় যুবকদিগের নেতাস্বরূপ হইয়া ব্ৰাহ্মসমাজে স্ত্রী-স্বাধীনতার পতাকা উডউীন করিলেন । এই সময় ঢাকা হইতে তাহার, ও বরিশাল হইতে স্বগীয় বন্ধু দুৰ্গামোহন দাসের, কলিকাতাতে আগমন স্ত্রী-স্বাধীনতার পক্ষে যেন মণিকাঞ্চনের যোগ হইল। ইহার ফল পরে বলিব ।