পাতা:আত্মচরিত (৩য় সংস্করণ) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/২১৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


> vo 0-9 R ] ১৮৭২ সালের ৩ আইন ; ভারত আশ্রম o প্ৰসিদ্ধ ডাক্তারগণের নিকট হইতে, এদেশীয় বালিকাগণের বিবাহের উপযুক্ত কালকি, তাহা জানিবার চেষ্টা করিয়াছিলেন। তদুত্তরে অধিকাংশ স্বদেশীয় ও বিদেশীয় ডাক্তার ১৬ বৎসরের উদ্ধে সেই কালকে নির্দেশ করেন। কেবল ডাক্তার চালাস চতুৰ্দশ বর্ষকে সর্বনিম্ন বয়স বলিয়া নির্দেশ করেন। তদনুসারে ১৮৭২ সালের তিন আইনে চতুৰ্দশ বর্ষকে বালিকার সর্বনিম্ন বিবাহের বয়স বলিয়া নির্দেশ করা হয় । তিন আইনের এই আন্দোলনে আমরা সকলেই তঁহার সহায়তা করিয়াছিলাম । এই সময়েই বা ইহার কিঞ্চিৎ পূর্বে বা পরে আদি সমাজের ভূতপূর্ব সভাপতি ভক্তিভাজন রাজনারায়ণ বসু মহাশয় ‘হিন্দুধৰ্ম্মের শ্রেষ্ঠতা’ বিষয়ে একটি বক্তৃতা করেন। ‘ফ্রেণ্ড অব ইণ্ডিয়া”র তদানীন্তন সম্পাদক ও বিলাতের টাইমস পত্রিকার পত্রপ্রেরক জেমস রূঢ়লেজ (Routledge) সাহেব তাহার সংক্ষিপ্ত বিবরণ টাইমস পত্রিকাতে প্রেরণ করেন। তাহার ফলস্বরূপ এদেশে ও সেদেশে সেই বক্তৃতা সম্বন্ধে চৰ্চা উপস্থিত হয়। সেই বক্ততাতে রাজনারায়ণ বাবু ব্ৰাহ্মধৰ্ম্মকে উন্নত হিন্দুধৰ্ম্ম বলিয়া প্রতিপাদন করেন। উন্নতিশীল দল এ মতের বিরোধী ছিলেন। কেশব বাবু আমাকে ও পণ্ডিত গৌরগোবিন্দ রায়কে এই বিষয়ে দুইটি প্রবন্ধ লিখিয়া পড়িতে আদেশ করেন। তদনুসারে আমি ইংরাজীতে ও গৌর বাবু বাঙ্গলাতে প্রবন্ধ লিখিয়া পাঠ করি। কেশব বাবু সভাপতির আসন গ্ৰহণ করেন। ভারত আশ্রম স্থাপন —এই সময়কার সর্বপ্রথম কাৰ্য্য “ভারত আশ্ৰম” স্থাপন। কেশব বাবু ইংলণ্ডে ইংরাজদের গৃহকৰ্ম্ম দেখিয়া চমৎকৃত তইয়া আসিয়াছিলেন। সর্বদা *f (Or, middle class English homeএর ন্যায় institution পৃথিবীতে নাই। তঁহার মনে হইল, কতকগুলি ব্ৰাহ্ম পরিবারকে একত্র রাখিয়া, কিছু দিন সময়ে আহার, সময়ে বিশ্রাম, সময়ে কাজ, সময়ে উপাসনা, এইরূপ নিয়মাধীন রাখিয়া, শৃঙ্খলামত কাজ করিতে আরম্ভ করিলে, তাহারা সেই ভাব লইয়া গিয়া চারি দিকের