পাতা:আত্মচরিত (৩য় সংস্করণ) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/২৪৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


Str૧8-૧૭ ] কেশবচন্দ্রের মতের সমালোচনা ミ>め বিশেষতঃ গাঙ্গুলী ভায়ার দল, আশ্রমের প্রতি চটিয়া গেলেন ; এবং এই কাৰ্য্যের বিচারের জন্য কেশব বাবুকে সভা আহবানের অনুরোধ করিতে লাগিলেন। ইহার উত্তরে ধৰ্ম্মতত্ত্ব পত্রিকাতে প্ৰকাশ হইল যে, প্রচারকগণ ঈশ্বর নিযুক্ত ; ব্ৰাহ্মগণ তঁহাদের বিচারক হইতে পারেন না। ইহাতে সমাজের কার্য্যপ্রণালী ও শাসন সম্বন্ধে এক নূতন আন্দোলন উঠিয়া পড়িল । দ্বারকানাথ গাঙ্গুলী প্রমুখ দল এই আন্দোলনে যোগ দিলেন। আমি ভবানীপুরে আসিয়া দেখিলাম, কেশব বাবুর মত ও কাৰ্য্যের প্রতিবাদ করিবার জন্য একটি দল গড়িয়া উঠিয়াছে। আমি আসিবামাত্ৰ হঁহারা আমাকে আপনাদের মধ্যে লইলেন ; কারণ, সমাজের কাৰ্য্যে নিয়মতন্ত্র প্রণালী স্থাপন বিষয়ে এবং কেশব বাবুর কোনও কোনও মতের প্রতিবাদ বিষয়ে, ইহাদের সহিত পূৰ্ব্ব হইতে আমার মতের ঐক্য ছিল। কেশবচন্দ্রের মতের সমালোচনা ।-ইহার পর আমার ভবনে এবং অপরাপর স্থানে এই প্ৰতিবাদী দলের ঘন ঘন মীটিং হইতে লাগিল । অবশেষে ব্ৰাহ্মদিগকে সতর্ক করিবার জন্য সমর ঘোষণা করা স্থির হইল । এই সমর ঘোষণা দুই প্রকারে আরম্ভ হইল। প্রথমে, কলিকাতা ট্রেনিং একাডেমী নামক স্কুলের গৃহে কেশব বাবুর বিরুদ্ধে দুইটি বক্তৃত হইল। একটি আমি দিলাম, অপরটি আমার বন্ধু নগেন্দ্ৰনাথ চট্টোপাধ্যায় দিলেন । র বক্তৃতার সমুদয় কথা স্মরণ নাই। আমি প্রধানতঃ কেশব বাবুর কতকগুলি মতের সমালোচনা করিয়াছিলাম। সে সম্বন্ধে এইমাত্র স্মরণ আছে যে, রবিবাসরীয় মিরারে কেশব বাবু তাহার উল্লেখ করিয়া তাহার উদার ভাবের প্রশংসা করিয়াছিলেন। কিন্তু নগেন্দ্র বাবুর বক্তৃতা তীহাদের বড়ই অগ্ৰীতিকর হইল। নগেন্দ্র বাবু সমাজের কাৰ্য্যে নিয়মতন্ত্র প্রণালীর আবশ্যকতা প্ৰদৰ্শন করিতে গিয়া বলিয়াছিলেন।