পাতা:আত্মচরিত (৩য় সংস্করণ) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/৩৩২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


રr8 শিবনাথ শাস্ত্রীর আত্মচারিত [ ১৩শ পরিঃ পাথেয়ের টাকা কোথায় পাই ? ভাবিলাম, অঘোরকামিনীর হাতে প্রকাশ সংসার চলিবার মত’ টাকা দিয়া গিয়াছেন ; আমি চাহিলে তিনি না দিয়া থাকিতে পরিবেন না, কিন্তু তঁর অসুবিধা ঘটিতে পারে। সুতরাং লজ্জাবশতঃ তঁহাকে নিজের অভাবের কথা জানাইতে পারিলাম না । হাতে যে পয়সা আছে, তাহাতে ডুমরাওন পৰ্য্যন্ত যাওয়া চলে। ভাবিলাম, ডুমরাওনে ব্ৰজেন্দ্ৰকুমার বসু নামে এক জন ব্ৰাহ্ম বন্ধু আছেন, তঁাহার নিকট টাকা ভিক্ষা করিয়া লইব । এই ভাবিয়া এক দিন প্ৰাতে অঘোরকামিনীকে বলিলাম, “আজি আমাকে সকাল সকাল খাওয়াইয়া দেও, আমি ডুমরাওন যাইব ।” তিনি রন্ধনে প্ৰবৃত্ত আছেন, আমি বিছানাপত্ৰ বঁাধিতেছি, এমন সময় একটি বাঙ্গালী বাবু আসিলেন। তঁহার সহিত সেই আমার প্রথম পরিচয় । তঁহার নাম তিনকড়ি ঘোষ, তঁহারই নামে বঁকিপুরে T K Ghosh's Academy assics for $f Kit festi করিলেন, “মশাই নাকি এমনি বক্তৃতা করিতে করিতে সমুদয় ভারতবর্ষ বেড়াবেন ?” আমি । আজ্ঞে হা, এইরূপ সঙ্কল্প ক’রেই ত বাহির হয়েছি। তিনকড়ি বাবু। আমার একটা অনুরোধ আছে, কিন্তু বলতে লজ্জা कबूछ । আমি। বলুন না, তার আর লজ্জা কি ? তিনকড়ি বাবু। আমার ইচ্ছে, আপনার কাজের জন্য কিছু সাহায্য করি । আমি । যা দেবেন মনে করেছেন দিন ; ও ত ঈশ্বরের দান। এইরূপ দানেই তা আমাদের কাজ চলে । তিনি তিনটি টাকা দিয়া গেলেন। আমি হিসাব করিয়া দেখিলান, এলাহাবাদ পৰ্য্যন্ত যাওয়া চলে। তখন ডুমরাওন যাওয়ার পরামর্শ রহিত