পাতা:আত্মচরিত (৩য় সংস্করণ) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/৩৯১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


tr-by थॉर्निग्रांश নিৰ্জন বাস s8S স্বৰ্গ ধামে প্ৰস্থান করিল। সে প্রাতে আমি তাহার শয্যাপার্শ্বে উপস্থিত ছিলাম। বৈকালে তঁহার মৃতদেহ লইয়া পাদুকাহীন পদে সকলের সঙ্গে আমরা অনেকে শ্মশান ঘাটে গেলাম, এবং অশ্রুজালে ভাসিয়া এ জীবনের অন্যতম গুরুকে চিন্তানলে অৰ্পণ করিয়া আসিলাম । এত দিন। ঝগড়া করিতেছিলাম, কিন্তু ব্ৰহ্মানন্দ যখন চলিয়া গেলেন, তখন মনটা কিছু দিন নিস্তব্ধ গভীর ভাবে কি যেন ভাবিতে লাগিল। কেশবচন্দ্রের সহিত ব্ৰাহ্মসমাজ লোক চক্ষে উঠিয়াছিল ; তঁহাতে নিরাশ হইয়া তাহার অন্তৰ্দ্ধানের সঙ্গে সঙ্গে সেই যে পশ্চাতে পড়িল, আর সম্মুখে আসিতেছে না। কোথায় তঁর জীবনের মহা শক্তি, আর কোথায় আমাদের মত’ দুর্বল আসার মানুষের চেষ্টা । ১৮৮৪ সালে কেশবচন্দ্রের স্বৰ্গারোহণ হইল। ১৮৮৮ সালে আমার বিলাত গমন পৰ্য্যন্ত এই কালের মধ্যে যে যে ঘটনাগুলি ঘাঁটিয়াছিল, তাহার সকলগুলি স্মরণ নাই। দুই একটি যাহা স্মরণ হইতেছে, তাহা লিখিয়া রাখিতেছি। খাসিয়াঙ্গে নির্জন বাস।—১৮৮৬ সালের গ্রীষ্মকালে আমরা সমাজের চারি জন প্রচারক, অর্থাৎ নবদ্বীপচন্দ্ৰ দাস, রামকুমার বিদ্যারত্ন, শশিভূষণ বসু ও আমি, এই সঙ্কল্প করিলাম যে, আমরা হিমালয় পাহাড়ে কিছু দিন নির্জনে বাস করিব। তৎসঙ্গে এই সঙ্কল্পও করা হইল যে কাহারও নিকটে সাহায্য ভিক্ষা করা হইবে না। আলোচনার পর স্থির হইল যে আমরা খার্সিয়াঙ্গে গিয়া থাকিব। দাৰ্জিলিং বহু কোলাহলময়, তত দূর যাওয়া হইবে না। তদনুসারে আমরা খার্সিয়াঙ্গে যাইবার জন্য প্ৰস্তুত হইলাম। একটি ঝুলি করিয়া তাহাতে যাহার। যাহা দিবার মত ছিল ফেলিয়া দিলাম। সেই বুলিটি বন্ধুবর নবদ্বীপচন্দ্ৰ দাসের হস্তে রহিল। তিনি আমাদের কোষাধ্যক্ষ হইলেন। আমরা পূর্ববঙ্গ ও উত্তরবঙ্গ রেলওয়ের নিকট ফ্রী পাশ ×