পাতা:আত্মচরিত (৩য় সংস্করণ) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/৪৮৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


88ኳፖ শিবনাথ শাস্ত্রীর আত্মচারিত ।ि २०० f: শুনিয়া আমি বলিলাম, “আমি আপনার কাছে হার মানিলাম।” ভাবিলাম ইহাদের সঙ্গে বিচারে প্রবৃত্ত হওয়া বৃথা । তখন দেশ হইতে আসিবার সময়কার সমুদ্র পথের একটি ঘটনা স্মরণ হইল, তাহা যথাস্থানে লিখিতে ভুলিয়া গিয়াছি। ইংলেণ্ডে যাইবার সময় সিংহল হইতে কয়েক জন খ্ৰীষ্টীয় মিশনারী আমাদের সঙ্গী হইয়াছিলেন, তাহা সেই বিবরণের সম্পর্কে লিখিয়াছি। ইহারা পথিমধ্যে প্রতি রবিবার আরোহীদিগকে লইয়া জাহাজের এক পাশ্বে গির্জা করিতেন। আমি তঁহাদের উপাসনাতে যাইতাম। দুই তিন বার যাওয়ার পর এক জন মিশনারী এক দিন আমাকে জিজ্ঞাসা করিলেন, “আমাদের উপাসনাদি তোমার কেমন লাগিতেছে ?” আমি । ভালই লাগিতেছে। কেবল একটা চিন্তা বার বার আমার মনে উদয় হয়। মিশনারী। সেটা কি ? আমি । আপনার উপদেশে প্ৰায় প্রতি বার বলেন যে, মনুষ্যের পাপে জন্ম, মনুষ্যের প্রকৃতি পাপপ্রবণ, সভ্যতার যতই উন্নতি হইতেছে ততই মানুষ ঘন হইতে ঘনতর পাপে নিমগ্ন হইতেছে। অথচ ইহাও বলেন যে, অবশেষে মানুষ ঈশ্বর চরণে আসিবে। ইহা কিরূপ ? যদি মানুষ দিন দিন । অধিক হইতে অধিকতর পাপেই ডুবিল, তবে আবার পূর্ণ উন্নতি পূর্ণ সুখ পাইবে কিরূপে ? মিশনারী। তা বুঝি জান না ? প্ৰভু যীশু যখন আবার আসিবেন, তখন শয়তানকে ধরিয়া এক অন্ধকার গহবরে বন্ধ করিয়া ফেলিবেন । মানুষকে প্রলুব্ধ করিবার কেহ থাকিবে না, সুতরাং মানুষ নিষ্পাপ। হইবে। এই উত্তর শুনিয়াও আমি হঁা করিয়া মৌনাবলম্বন করিয়াছিলাম। পরে ইংলণ্ড বাস কালে এক দিন সুপ্রসিদ্ধ রেভারেণ্ড ষ্টপফোর্ড ব্রকের