পাতা:আত্মচরিত (৩য় সংস্করণ) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/৫৩৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


•8ፃ$ শিবনাথ শাস্ত্রীর আত্মচারিত [ሶቀif፭ ও রেজিষ্টারি করিতে উৎসাহ দিলাম। ইহাতে র্তাহার। মন भाख रुँघांछिन बलिङ्गों जङ्छे अछि। অধিক কি, প্ৰতি দিন পদে পদে তঁার একগুয়েমের প্রমাণ পাওয়া যাইত। এক বার তিনি ও আমার কনিষ্ঠ ভগিনী কুসুম আসিয়া আমার বালিগঞ্জের বাসাতে কিছু দিন ছিলেন। কোনও কারণে বাবার বাড়ীতে যাওয়া আবশ্যক হইল। সেই দিন প্ৰাতে আমাদিগকে বলিলেন যে, তিনি অপরাহ তিনটার ট্রেণে বাড়ী যাইবেন । আমি বলিলাম, “কেন। বাবা তিনটার গাড়িতে যাবেন ? বাড়ীতে পৌছিতে রাত হইয়া যাইবে ; অন্ধকারে পথে প’ড়ে যান, কিছু হোক, কাজ কি তিনটার গাড়িতে গিয়ে ? কুসুম সকাল সকাল রোধে দিক, আপনি খেয়ে প্ৰাতে ১১টার গাড়িতে যান ; সন্ধ্যার পূর্বে ঘরে পৌছিতে পরিবেন।” তিনি মাথা ঘুরাইয়া বলিলেন, “যা নয়, সেই কথা। আমি অত তাড়াতাড়ি তৈয়ের হ’তে পারব না।” তখন তঁর সঙ্গে আর তর্ক করা বৃথা বোধে কুসুমে আমায় পরামর্শ করিয়া স্থির করিলাম যে, যেরূপে হউক প্রাতে ১১টার গাড়িতে বাবাকে পাঠাইতেই হইবে। এই পরামর্শ করিয়া কুসুম তাড়াতাড়ি স্নান করিয়া রন্ধনে প্ৰবৃত্ত হইল ; আমি বাবার যাইবার জন্য যে কিছু আয়োজন করা আবশ্যক ছিল তাহা করিতে প্রবৃত্ত, হইলাম। বেলা ৮টার সময় ছাদে বাবার স্নানের জল দেওয়া গেল । কুসুম আসিয়া বলিল, “বাবা, ছাদ হ’তে নেয়ে এস।” বাবা কিছু বলিলেন না, স্নান করিতে গেলেন। স্নানান্তে পূজা আহ্নিক প্রভৃতি সারিয়া উঠিতে ৯টা বাজিল। ইতিমধ্যে র্তাহার অন্নব্যঞ্জন প্ৰস্তুত, কুসুম আসিয়া আহারার্থে ডাকিল। তখনও বাবা কিছু বলিলেন না ; আহার করিতে গেলেন। ৯টার সময় আহার শেষ করিয়া আসিলেন। তখন আমি ঘড়ি দেখাইয়া বলিলাম, “আপনি আর এক ঘণ্টা শুইয়া থাকুন, আমি তৎপরে আপনাকে গাড়িতে করিয়া রেলে তুলিয়া দিয়া