পাতা:আত্মচরিত (৪র্থ সংস্করণ) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/১৩৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১৮৬৮-৬৯ ] যোগেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিধবাবিবাহ দেওয়া ১২১ হাইতাম । ফলাফল ও জীবন-মবণ বিচার করিতাম না । ইহার নিদর্শন স্বরূপ যোগেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় ও উপেন্দ্রনাথ দাসেব বিধবাবিবাহ দেওয়া, ও আমাব এল এ পৰীক্ষার জন্য গুরুতর শ্রম, প্ৰভৃতি ঘটনার উল্লেখ কবিতে পাবা যায়। সে সকল ক্ৰমশঃ বৰ্ণনা করিতেছি । যোগেন্দ্ৰনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিধবাবিবাহ দেওয়া ॥-প্ৰথম ঘটনা, যোগেন্দ্রেব বিধবাবিবাহ। এই বিবাহ ১৮৬৮ সালেব প্রথম ভাগে হয়। ইহাব ইতিবৃত্ত এই। ঈশানচন্দ্র রায় নামক নদীয়া-কৃষ্ণনগরনিবাসী ও কলিকাতা-প্রবাসী একটী যুবক তখন কলিকাতা মেডিকেল কলেজে পাঠ কবিতেন। তাহাব সঙ্গে তাহাব মাতা ও একটী বিধবা ভগিনী ছিলেন। আমাব জ্ঞাতি দাদা হেমচন্দ্ৰ বিদ্যারত্ন ( যিনি পরে তত্ত্ববোধিনী পত্রিকাব সম্পাদক হইয়াছিলেন) ঐ মেয়েটকে পড়াইতেন। হেমদাদার নিকট আমি মেয়েটীব প্ৰশংসা সর্বদা শুনিতাম। তিনি আমাকে বলিতেন। যে, মেয়েটার ভাই তাহাব আবাব বিবাহ দিতে চায়। আমি শৈশবাবধি” বিদ্যাসাগবেবী চেলা ও বিধবা-বিবাহেব পক্ষ। আমি মনে মনে ভাবিতাম, আমার আলাপী কি কোনও ছেলে পাওয়া যায় না, যে মেয়েটকে বিবাহ* করিতে পারে ? ইতিমধ্যে আমার সহাধ্যায়ী বন্ধু যোগেন্দ্ৰনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় বিপত্নীক হইলেন। তঁহার প্রথম স্ত্রীর পরলোকগমনের দশ বাব দিনের মধ্যেই তাহাব আন্ধীয় স্বজন তাঁহাকে পুনরায় দারপরিগ্রহ করিবার জন্য অস্থিয় কবিয়া তুলিলেন। যোগেন্দ্ৰ আসিয়া আমাকে সেই কথা জানাইলেন এবং আমার পরামর্শ চাহিলেন। আমি বলিলাম,-“যাও, যাও, আমাকে কিছু জিজ্ঞাসা করো না। দশ বার দিন হলো তোমার স্ত্রী ময়েছে, এী । মধ্যে বিবাহের কথা। আর বিয়েই যদি কয়, একটী আট নয় বছরের মেয়ে বিয়ে করবে। ত, তাতে আমার মত নেই; তোমার বা ইচ্ছে হী করা।” বোগেজ সেদিন বিষয়ে অজয়ে ঘরে গেলেন। দুদিন পরে