পাতা:আত্মচরিত (৪র্থ সংস্করণ) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/৩১৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


8 ዓ8 শিবনাথ শান্ত্রিীর আত্মচারিত [ ১২শ পায়ঃ করিবার সময় শিক্ষার জন্য একটী বন্ধুর তত্ত্বাবধানে তাহাকে কলিকাতায় । রাখিয়া গিয়াছিলাম। ঐ সংবাদ পাইয়া লক্ষ্মেী এর কাজ বন্ধ করিতে হইল, ও কলিকাতা যাত্ৰা করিতে হইল। আসিবার সময় মুঙ্গের হইতে প্ৰসন্নময়ীকে সঙ্গে লইয়া আসিলাম, বিরাজমোহিনী অন্য সন্তানগণের ভার লইয়া মুঙ্গেরেই থাকিলেন। কলিকাতায় আসিয়া সাধারণ ব্ৰাহ্মসমাজের মন্দির নিৰ্ম্মাণের চেষ্টা -আমি কলিকাতাতে ফিরিয়া তত্ত্বকৌমুদীর সম্পাদকতা, উপাসকমণ্ডলীর আচাৰ্য্যের কাৰ্য্য, এই সকল লইয়া ব্যস্ত ব্ৰহিলাম। ভারতবর্ষীয় ব্ৰহ্মমন্দির ত্যাগ করার পর তৎপার্শ্ববৰ্ত্তী ডাক্তার উপেন্দ্ৰনাথ বসুর ভবনে কিছুদিন আমাদের উপাসনা চলে। উপেন্দ্র বাবু এই সঙ্কটকালে আমাদের সহায় হইয়া তাহার ঠাকুর-দালানটি আমাদের ব্যবহারের জন্য দিয়া মহােপকার করিয়াছিলেন। কিছুদিন পরেই ৪৫নং বেনিয়াটোলা লেনে একটি সুপ্ৰশস্ত ঘর ভাড়া করিয়া সেখানে আমাদের সাপ্তাহিক উপাসনা তুলিয়া আনা হয়। এই সময়ে সেইখানেই উপাসনার কাৰ্য্য চলিতেছিল। আমি আসিয়া দেখিলাম, বন্ধুগণ ২১১ নং কর্ণওয়ালিস স্ত্রীটে একখণ্ড ভূমি নিৰ্দ্ধারণ করিয়া সেখানে উপাসনা-মন্দির নিৰ্ম্মাণ করিবার উদ্দেশ্যে তাহা ক্ৰয় করিবার ইচ্ছা করিতেছেন, এবং সেজন্য প্ৰত্যেকে নিজের এক মাসের আয় দিবেন। বলিতেছেন। আমি সে কাৰ্য্যে মহা উৎসাহী হইলাম। শুনিলাম, অর্থ সাহায্যের জন্য মহর্ষি দেবেন্দ্ৰনাথের নিকটেও এক দরখাস্ত গিয়াছে, তাহাতে আনন্দমোহন বাবুর, আমার, দুৰ্গামোহন বাবুরা, গুরুচরণ মহলানবিশ মহাশয়ের, ও অপর কাহারও কাহারও নাম আছে ; মহর্ষি তাহার জ্যেষ্ঠ পুত্র দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর মহাশয়কে খবর লাইতে বলিয়াছেন, জমির দাম কত, মন্দির নিৰ্ম্মিাণের ব্যয় কত হইবে, ঐটী কান্না নিযুক্ত হইয়াছেন, ইত্যাদি। বোধ হইল যেন, তিনি ট্ৰাষ্ট্ৰী