পাতা:আত্মচরিত (৪র্থ সংস্করণ) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/৫২৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


89 q শিবনাথ শাস্ত্রীব আত্মচাবিত [ পবি বিলম্ব হইল। ইতিমধ্যে গ্ৰাম হইতে সংবাদ আসিল যে, সেই সার্কেল পণ্ডিতটী ওলাউঠা হইয়া মারা পড়িয়াছেন। বাবা যখন উড্রো সাহেবের আপিসে গেলেন, তখন উড্রো সাহেব বাবাকে বলিলেন যে, তিনিও ঐ পণ্ডিতটর স্ত্রীর দরখাস্ত পাইয়াছেন, যেন তার স্বামীর টাকা অপর লোকের হাতে না পড়ে। বাবা বুঝিলেন, দেবীরদের সঙ্গে ঐ বিধবার DDBDD DDBDS DBDDD DDD DBB BD DB DBB BB DS SDB উড্রো সাহেব বাবাকে অতিশয় শ্ৰদ্ধা করিতেন, তিনি বললেন, “পণ্ডিত, তোমাকে চিনি , টাকাগুলি লইয়া যাও, নিজের হাতে ঐ বিধবাকে দিবে।” বাবা অগত্যা টাকাগুলি লইয়া গেলেন। কিন্তু বাড়ীতে গিয়াই শুনিলেন, সে বিধবাটী তার পিতৃগৃহে চলিয়া গিয়াছে। তখন টাকাগুলি নিজের বাকুসের এককোণে রাখিয়া দিলেন , মনে করিলেন, সে স্ত্রীলোকটী ফিরিয়া আসিলে নিজে তার হাতে দিবেন। তারপর দুই মাস যায়, ছয় মাস যায়, সে আর আসে না। বাবা সে কথা ভুলিয়াই গেলেন , এবং টাকাগুলিও নিজের টাকার সঙ্গে মিশিয়া গিয়া খরচ হইয়া গেল । ১৫/১৬ বৎসর পরে’ বাবার সে কথা স্মরণ হইল, কিছুদিন মানসিক যন্ত্রণা ভোগ করিয়া অবশেষে অপর কাহাড়কও না পাইয়া, DBDB S SDD DD DDD DD DD BB DDDBDBDBS BDSDDBD B আসিলেন । শেষজীবনে বহুবার তিনি নিজের পূর্বকৃত কোন ঋণেৰ কথা স্মরণ হইবামাত্র অত্যন্ত অস্থির হইয়া আমার নিকট কলিকাতায় আসিতেন । একবার কলিকাতায় আসিয়া ব্ৰাহ্মসমাজ লাইব্রেরীতে আমার আপিসঘয়ে কয়েকদিন ছিলেন। তন্মধ্যে একদিন বৈকালে আমি বেড়াইয়া আসিয়া দেখি, বাবা মান মুখে আমার খাটে শয়ন করিয়া আছেন। আমি। বাবা, আপনাকে বড় মান দেখছি কেন ?