পাতা:আত্মজীবনী ও স্মৃতি-তর্পন - জলধর সেন.pdf/১৯০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


briše আত্মজীবনী ও স্মৃতি-তৰ্পণ জেদই হয়েছিল। যথাসময়ে গ্রন্থাবলী বের হোলো। চারিদিকে ধন্য ধন্য পড়ে গেল । আমাদেবই এই সাফল্যের জন্য ভগবানের চরণে প্ৰণাম করলাম । ‘বসুমতী’র কার্যকালের মধ্যে আর একটি স্মরণীয় ঘটনা ১১০৩ এর লর্ড কার্জনের দিল্লী দরকার। সে দরবারে ‘বসুমতী’র পক্ষে আমি নিমন্ত্রণ পেয়েছিলাম। রহস্যের ব্যাপার এই যে আমার যিনি মনিব, সেই উপেনবাবু আমার কাগজের রিপোর্টার হয়ে আমার সঙ্গে গিয়েছিলেন। কার সাধ্য ধরে যে তিনি আমার মনিব ও আমি তঁর কর্মচারী। তিনি এমনভাবে কয়েকদিন কাটিয়েছিলেন যে অপরিচিত লোকে দেখে বুঝতেই পারতেন না যে তিনি আমার মনিব । আমি তো তার ব্যবহার দেখে একেবারে অবাক হয়ে গিয়েছিলাম । তার পর থেকে এমন হোলে। যে আমরা মনিব চাকর সম্বন্ধ ভুলে গেলাম । তিনি আমার পবমাত্মীয় হয়ে উঠলেন। এইখানে একটি ঘটনার উল্লেখ করলেই আমাদেব আত্মীয়তার স্বৰূপ সকলে বুঝতে পারবেন। পূর্বেই বলেছি। উপেন্দ্রবাবু আহিরীটোলার নিমু গোস্বামীক লেনে তঁর মাতুলালয়ে প্রতিপালিত হয়েছিলেন। মাতুল নিঃসন্তান অবস্থায় পরলোকগত হন। মাতুলামীর সমস্ত স্নেহ উপেনবাবু ও তাহাব কনিষ্ঠ ভাইয়েব উপরেই পতিত হয়। মামী ঠাকুবাণীই গৃহেব কত্রী ছিলেন। উপেন্দ্ৰবাবুর সহধর্মিণী-শ্ৰীমান সতীশচন্দ্ৰেব্য জননী, যতদিন মামীঠাকুরাণী বেঁচে ছিলেন, ততদিন বন্ধুরূপেই জীবন কাটিয়েছেন। উপেন্দ্রবাবুব পরলোকগমনেব পাব থেকে তিনি একরকম সংসার-ত্যাগিনী সন্ন্যাসিনী। কাশীতেই থাকেন-আয় কঠোব ব্ৰহ্মচৰ্য্য অবলম্বনপূর্বক তীর্থভ্ৰমণ কবে বেড়ান। । অমন সতী সাধবী মহিলা BD BDiuBDB BD LBB SS BDBD L DBDB S DDD DDD DBB প্ৰণাম করছি । এখন ঘটনাটা বলি। উপেনবাবুর মামী তীর্থভ্ৰমণে গিয়েছিলেন। আমাদের দেশের নিয়ম ছিল-এখন আর নেই।--যে মেয়েরা তীৰ্থভ্ৰমণ করে এলে ধাব যেমন সাধ্য তিনটী, দ্বাদশটী বা ততোধিক ব্ৰাহ্মণ-ভোজন করান। উপেনবাবুর মামীঠাকুরাণী তীৰ্থ থেকে যে ফিরে এসেছেন সে সংবাদ আমি জানতাম না। যেদিন ফিরে এসেছেন সেইদিনই সন্ধ্যার সময় উপেন্দ্রবাবু আমাকে বললেনকাল দুপুর বেলা আমাদের বাষ্ঠীতে আপনার নিমন্ত্রণ। ব্যাপার কি জিজ্ঞাসা করায় তিনি বললেন-সে। সেখানে গিয়েই হবে। আর এ নিমন্ত্রণও আমার নয়। মামীঠাকুরাণী আপনাকে নিমন্ত্রণ করেছেন।