পাতা:আত্মজীবনী ও স্মৃতি-তর্পন - জলধর সেন.pdf/২৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


আত্মজীবনী ও স্মৃতি-তৰ্পণ Rs মধ্যে ইংরাজী লেখাপড়া শিক্ষার জন্যে কোন স্কুল না থাকায়, আমি চেষ্টা করে ছোটখাট একটা ইংৰাজী স্কুল প্ৰতিষ্ঠা করি। আমাদের গ্রামের কৃষ্ণধন মজুমদার সেই সময় ঢাকা কলেজ থেকে সিনিয়ার পরীক্ষায় পাশ হ’ন, আমি তাকেই আমার স্কুলের শিক্ষক নিযুক্ত করি । তখন আমাদের গৌরী নদী দিয়েই বড় বড় ষ্টীমার যাতায়াত করতো। রেলগাড়ী তখনও আমাদের দেশে আসেনি। লাটসাহেব ও বড় বড় রাজপুরুষের ষ্টীমারে করে পূর্ববঙ্গে যাবার সময় আমাদের গ্রামের নীচের নদী দিয়েই যেতেন। সেই সময় একদিন খবর পেলুম। খ, হাতকাটা গভর্ণর জেনারেল লর্ড হার্ডিঞ্জ ষ্টীমার করে এদিক দিয়েই যাবেন। তঁকে পাকড়াও করবার জন্যে আমি আয়োজন করলুম। নদীর ভঁটিতে ঘোড়সওয়ার পাঠিয়ে তাকে বলে দিলুম, দূরে ষ্টীমারের ধোঁয়া দেখলেই সে যেন ঘোড়া জোরে BDDDD kLEK BDJB S DBE SDSS TBDB DD DBBD DDLDDBD DBD নৌকা সুন্দর করে সাজিয়ে নদীতীরে অপেক্ষা করতে লাগলুম। আমার পোষাক পরিচ্ছদ ব্যবহার ক21র কোন অভ্যাস ছিল না। ইংরেজি ত দূরে থাক, বাঙ্গলা লেখাপড়া ও আমি ভাল শিপিানি। কিন্তু আমার অতুল সাচস ছিল। আর সেই সাহসে নির্ভর করেই আমি বড়লাট সাহেবের ষ্টীমার আটক করতে গিছিলুম। আমার দৃঢ় বিশ্বাস ছিল যে, গভর্ণর জেনারেল সাহেবকে আটক করে, গ্রামে এনে, আমার ইংরাজী স্কুল দেখাতে পারবই। এই বিশ্বাসের জোরেই আমি সকালেই যতটা সম্ভব নানারকম বাঙ্গালীর খাদ্যসামগ্রী তৈরী করিয়েছিলুম। “বেলা বারটার সময় ঘোড়সওয়ার এসে পবির দিলে-ল্যাট সাহেবের ধুয়োকল আসছে। অামি তখন আমার সেই বার-দাড়ি নৌকা নিয়ে নদীর মধ্যে গেলুম। মাঝিদের উপদেশ দিয়ে রােপলুম, ধুয়োকল এগিয়ে এলেই ঠিক তার সামনেই যেন নৌকা নিয়ে চালিয়ে দেয়। আমি নিজে এক লাল নিশান হাতে বরে নৌকার বাইরে দাড়িয়ে রইলুম। ধুয়োকল যখন নদীর বঁাক ফিরে আমাদের গ্রামের ঠিক সামনে এলো, আমি তখন মাঝ নদীতে নৌকার ওপর দাড়িয়ে লাল নিশান দেখাতে লাগলুম। কোন বিপদের সস্তাবনা মনে করে পাশে লাগিয়ে দিলে। ধুয়োকলের কর্মচারীরা ও লাট সাহেবের সঙ্গী সাহেবরা কি ব্যাপার বুঝতে না পেরে, যে দিকে আমার নৌকা লেগেছিল, সেই দিকে এসে পড়লো। তাদের মধ্যে একজন জিজ্ঞাসা করলে “তোম কোন হ্যায়।” আমি ইংরেজি ত জানিই না, হিন্দিও জানতুম না। সাহেব যেই বল্পে “তোম