পাতা:আত্মজীবনী ও স্মৃতি-তর্পন - জলধর সেন.pdf/৯২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ኴrbም আত্মজীবনী ও স্মৃতি-তৰ্পণ সেই পথে মনোসাধে চলরে, পাগল, ছাড়া, ছাড় রে ছলনা । সংসারের বঁাকাপথে দিনে রোতে, ८5-उटॉक (उ 6श भांउन ; আবার রে ছয়টি “চারে ঘুরে ফিরে লয়রে কেড়ে সব সাধনা ! Mgg BB BYK DBDD DBD K DuDuuDuBDSAuDBS JD DS DBBS BB S তারপর-আবার কি ? গানটা গাওয়া হবে। পণ্ডিত মহাশয় বলিলেন “কথাটি বুঝলে না! বাউলের গানের নিয়ম হচ্ছে এই যে গানের শেষে একটা ভণিতা দিতে হয়। কেমন ?” অক্ষয় বলিলেন, “সেই কথাই তা ভাবছি ।” তখন কিন্তু কোনটাই ‘ভেটে” এক এক জন এক একটা নাম বলি,তো লাগিলেন । গানটি নিয়ে কাঙিলের টিকিল না । আমি বললাম, “অত লোকে কাজ কি ! কাছে থাই, তিনি শেষ অন্তরা এবং ভণিতা ঠিক ক’রে নেবেন ।” অক্ষয় বলিলেন, “তা হবে না ; অঁাকে একবারে Surprise ( অবাক ) করতে হবে । রও না, আমিই একটি নুত্তন নাম ঠিক করেছি।” এই বলিয়া একটু মাথা চুলকাইয়া বলিলেন “লেখ জলদা” । আমি কলম ধরলাম, অক্ষয় শেষ অন্তরা ধরিলেন : ‘ফিকির চাদ ফকির কয়। তাই, কি কর ভাই, করি ভাবনাচল যাই সত্য পথে, কোন মতে,- ५sी भां९ने भी खाटू to si ।” ব্যস। গানের ভণিত হইয়া গেল । সকলেই একবাক্যে স্বীকার করিলেন। “ফিকির চাদ” নামটি ঠিকই হইয়াছে। আমাদের ত ধর্মভাব ছিল না, কে নও “ফিকিরে” সময় কাটানই আমাদের উদ্দেশ্য। “ফিকির চাদ” নামের ইহাই ইতিহাস । * গানটা হইয়া গেল ; তখন আমাদের মধ্যে-পাকা ওস্তাদ প্রফুল্লচন্দ্ৰ গানের সুর দিলেন । সুরটি নূতন দিতে পুরাতন, তাহা আমি বলিতে পারিব না। কিন্তু পুরাতন হইলেও, ঐ সুর বড়ই বাড়িয়া উঠিল। পরে সমস্ত বাঙ্গালাদেশ ঐ ਚਿ ਦੋਸ਼ | সেই দ্বিপ্রহরে আমাদের মজলিসে যখন গানের রিহর্সেল দেওয়া শেষ হইল,