পাতা:আদায়ের ইতিহাস - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৪১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ইতিহাস 8 V ‘কদিন দেন ফেলে রাখবেন ত্রিষ্টপবাবু? আজ আর ছাড়ছি नां । 6वभ दांलांद्र लेिन उांछ।” চাকরী হওয়ার জন্য এরা একদিন খাওয়া দাবী করিয়াছিল। feগুপের মনে छिब्ल का । “নিশ্চয়। বলুন কি খাবেন ?” চার জনে সিড়ি বাহিয়া নিচে নামিতেছে, অবিনাশ পিছন হইতে ডাকিলেন, “ত্রিছুপ ? ত্ৰিষ্ট্রপ কাছে গেল। ‘টাকাগুলো দিয়ে যা, আমার একটু দেরী হবে যেতে।” “বাড়ী গিয়ে দেব। ক’জন বন্ধু ধরেছে, খাওয়াতে হবে।” “দুটো টাকা রেখে বাকীটা দিয়ে যা। অতগুলো টাকা নিয়ে ঘুরে বেড়াবি ? যা অসাবধান তুই। আর শোন”—অবিনাশ গলা নামাইয়া ফিস ফিস করিয়া বলিলেন, ‘সংক্ষেপে সেরে দিস, আমন বন্ধু ঢের খেতে চায়। একটা চপ কি কাটলেট আর এক কাপ চা—ব্যস। এক টাকাতেই হয়ে যাবে। তবু দুইটা টাকাই বরং 3-? “বাড়ী গিয়ে দেব’খন !” ত্ৰিষ্টুপ তর-তর করিয়া নামিয়া গেল। অবিনাশ আহত বিস্ময়ের সঙ্গে ছেলের দিকে চাহিয়া থ’ বনিয়া রহিলেন । ত্ৰিষ্টুপ ছাড়া তিন জনেই আজ যেন একটু বেশী উত্তেজনাপ্রবণ। নিজেদের কথা আর হাসি তামাসার মধ্যেই তিন জনে যেন রসের অন্ত পাইতেছে না ; বিশেষ করিয়া কেরাণীবাবুদের জন্য পরিচালিত এই সস্তা রেস্তোরার চপ-কাটলেট আর চা খাইতে খাইতে জীবনকে উপভোগ করিতে মসগুল হইয়া। ত্রিষ্টপ কথা বলিল, হাসিতেও যোগ দিল, কিন্তু তিন জন ও এক জনের দুটি দল মিশ খাইতে পারিল না কোন রকমেই। এবং ত্ৰিষ্টপের দলে ভেরার ব্যৰ্থ চেষ্টায় ক্ৰমে ক্রমে সকলের উৎফুল্প ভাবাটাও কেমন যেন নিস্তেজ হইয়া পড়িল।